ক্লাউড কম্পিউটিং
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সার্ভিস মডেল-কে প্রধানত কয় ভাগে ভাগ করা যায়?
ক্লাউড কম্পিউটিংয়ের প্রধান সার্ভিস মডেলকে সেবার ধরণ অনুসারে তিন ভাগে ভাগ করা যায়। যথা-
১. অবকাঠামোগত সেবা (laaS: Infrastructure as a service): ব্যবহারকারী তার প্রয়োজনীয় অপারেটিং সিস্টেম ও সফ্টওয়্যার চালানোর জন্য ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের নেটওয়ার্ক, সিপিইউ, স্টোরেজ ও অন্যান্য মৌলিক কম্পিউটিং রিসোর্স ভাড়া দেয়।
২. প্ল্যাটফর্মভিত্তিক সেবা (PaaS: Platform as a service): ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় হার্ডওয়্যার, অপারেটিং সিস্টেম, ওয়েব সার্ভার, ডেটাবেজ, প্রোগ্রাম এক্সিউশন পরিবেশ ইত্যাদি থাকে। এ্যাপ্লিকেশন ডেভেলপারগণ তাদের তৈরি করা সফ্টওয়্যার এই প্ল্যাটফর্মে ভাড়ায় চালাতে পারেন।
৩. সফটওয়্যার সেবা (SaaS: Software as a service) : ক্লাউড সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের তৈরিকৃত এ্যাপ্লিকেশন সফ্টওয়্যার ব্যবহারকারীগণ ইন্টারনেটের মাধ্যমে চালাতে পারেন।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
“ক্লাউড কম্পিউটিং”-এ ক্লাউড শব্দটি কী অর্থে ব্যবহৃত হয়?
কোন নেটওয়ার্কে ক্লায়েন্ট সার্ভারের প্রাধান্য বেশি থাকে?
ক্লাউড কম্পিউটিং এর সুবিধা-
মি. M ডিজিটাল ডিভাইসে সফটওয়্যার ব্যবহার করতে পারে না। বর্তমানে স্বয়ংক্রিয় আপডেট ও উচ্চগতিসম্পন্ন ডিজিটাল সুবিধাযুক্ত একটি নতুন সেবা এসেছে।
উদ্দীপকে উল্লিখিত সেবাটি কোন কোন ক্ষেত্রে পাওয়া যায়?
i . কেন্দ্রীয় রিমোট সার্ভার দ্বারা ডেটা নিয়ন্ত্রণ
ii. ব্যবহারের জন্য অতিরিক্ত খরচ দেয়া
iii. কোন রক্ষণাবেক্ষণ খরচ নেই
নিচের কোনটি সঠিক?