সমবায় সমিতির বিষয়বস্তু
1. বাংলাদেশের সমবায় সমিতি সমস্যা দূরীকরণের উপায় হচ্ছে—
i. সরকারি আইনি সহযোগিতা বৃদ্ধি
ii. দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি রোধ
iii. প্রণোদনার ব্যবস্থা করা
নিচের কোনটি সঠিক?
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
যশোর শহরের ২০০ জন ইজিবাইক চালক একত্রিত হয়ে একটি সংগঠন তৈরি করেন। তাদের নিজের কোন ইজিবাইক ছিল না। প্রতিদিন তারা ৫০ টাকা করে জমা রাখেন। নির্দিষ্ট সময় পর সঞ্চয়ের অর্থ দিয়ে নতুন ইজিবাইক কেনা হয়। এভাবে প্রত্যেকের নিজেদের ইজি বাইক হয়ে যাওয়ায় তাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ঘটে। নিজেদের সম্মিলিত প্রচেষ্টার মধ্যেই যে আসল শক্তি তারা তা বুঝতে পারে। তাদের দৃঢ় ঐক্যের কারণে যেকোনো সমস্যা তারা সহজেই কাটিয়ে উঠতে পারে।
মধ্যস্থব্যবসায়ীদের হাত থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য কুমারখালীর তাঁতিরা ২০১৩ সালে ৫০ জন একত্র হয়ে একটি সমবায় সমিতি গঠন করেন। পরবর্তী তিন বছরে তাদের অর্জিত মুনাফার পরিমাণ যথাক্রমে ৬০,০০০, ৬৫,০০০ ও ৭৫,০০০ টাকা। তারা বিধিবদ্ধ নিয়ম অনুসারে ন্যূনতম হারে সঞ্চিতি তহবিল জমা রাখেন। তারা প্রতিটি ১৫,০০০ টাকা দরে দুইটি তাঁতকল কেনার জন্য সংরক্ষিত তহবিল ব্যবহারের চিন্তা করছেন।
সমবায়ের মূলমন্ত্রই হলো “একতাই বল”, “সকলের তরে সকলে আমরা প্রত্যেকে আমরা পরের তরে।” এগুলো সত্যিই আবেদনময়ী কথা! সবার কল্যাণ, ঐক্য, সহযোগিতা ও সাম্য এ বিষয়গুলো অন্য ব্যবসায় সংগঠনের সাথে তেমনভাবে দেখা যায় না। বাংলাদেশের সমবায় সংগঠন তার নির্দিষ্ট আঙ্গিকে ব্যাপকতা লাভ করুক, সফল হোক এটা অনেকেই বিভিন্ন কারণে প্রত্যাশা করে থাকে। কিন্তু সচেতনতার অভাব, ব্যাপক প্রচারসহ বিবিধ কারণে বাংলাদেশে সমবায় আন্দোলন তেমনভাবে সফল হয়নি।
নিচের ছকটি পর্যবেক্ষণ করো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও-
• ন্যায্যমূল্যে পণ্য সরবরাহ
• বাস্তবধর্মী পরিকল্পনা গ্রহণ
• দুর্নীতি ও স্বজনপ্রীতি রোধ
• সমবায় বিভাগের উন্নয়ন
• সুষ্ঠু সমন্বয়