আর্দশ জীবন গঠনে আল কুরআনের ভূমিকা
1. মা ভোরবেলা কুরআন তিলাওয়াত করেন। ইয়াসিন মায়ের পাশে বসে তা মনোযোগ দিয়ে শোনে। একদিন ইয়াসিন তার মাকে জিজ্ঞেস করে, 'মা, কুরআন আসলে কী?' মা বললেন, 'কুরআন হলো, সব জ্ঞান- বিজ্ঞানের উৎস। এ গ্রন্থে সব বিষয়ই আলোচিত হয়েছে। কোনোকিছুই বাদ দেওয়া হয়নি।'
ইসলাম শব্দের অর্থ কী?
আল-কুরআনের আলোকে মানুষের পরিচয় দাও।
উদ্দীপকের মায়ের মতো মা আমাদের সমাজে খুব দরকার, আলোচনা কর।
উদ্দীপকের মায়ের উক্তিটি বিশ্লেষণ কর।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
অধ্যাপক ইবরাহিম শ্রেণিকক্ষে কুরআনের দুটি আয়াত নিয়ে আলোচনা করেন। প্রথম আয়াতে পাপাচার থেকে আত্মরক্ষা ও পরকালে মুক্তির গুণসম্পন্ন ব্যক্তিদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করা হয়েছে। অতঃপর দ্বিতীয় আয়াতে অনন্ত জীবনের জবাবদিহিতার প্রতি অনীহা প্রদর্শন ও সুস্টার প্রতি আস্থাহীনদের পরিণতির কথা ব্যক্ত করেছেন।
لخَتَمَ اللَّهُ عَلَى قُلُوبِهِمْ وَعَلَى سَمْعِهِمْ وَعَلَى أَبْصْرِهِمْ غِشَاوَةٌ وَلَهُمْ عَذَابٌ عَلِيمٌ
জনার আসিফ পবিত্র কুরআনের এমন কিছু আয়াত তিলাওয়াত করলেন যেখানে আল্লাহর একত্ববাদ, গায়েবে বিশ্বাস, কিতাব, রিসালাত ও আখিরাতের কথা বর্ণিত হয়েছে। তার বন্ধু জনাব নাফিস তার সঙ্গে কুরআনের আরও একটি আয়াত তিলাওয়াত করে বলেন-'আর তুমি • তাদেরকে সতর্ক কর বা না কর, তাদের পক্ষে উভয়ই সমান, তারা ঈমান আনবে না।'
ক শাখা: অদৃশ্যে বিশ্বাস স্থাপন করা, সালাত কায়েম করা, দান-সদকা করা, পরকালে নিশ্চিত বিশ্বাসী।
খ শাখা: মুমিনদের ধোঁকা দেওয়া, মিথ্যাচারে নির্লিপ্ততা, সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি।
ধনাঢ্য ব্যবসায়ী সেলিম সাহেব গ্রামে আসলে নামাজ-কালাম পড়েন এবং দান- সাদাকাহ করেন। অন্যদিকে তিনি তার ব্যবসায়ী বন্ধুদের সাথে ঢাকা শহরে থাকলে নামাজ-কালাম তো দূরের কথা আরো নানা প্রকার অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়েন। তিনি তার বাল্যবন্ধু আব্দুল মালেককে বলেন, 'সফলতা অর্জন করতে হলে আমার সাথে যোগ দাও।' আব্দুল মালেক বলল, 'কেবল প্রাচুর্য ও বিলাসিতায় তো জীবনের সফলতা নির্ভর করে না, বরং সফলতা ও প্রাপ্তি কিছু গুণাবলি অর্জনের উপর নির্ভরশীল, যা পবিত্র কুরআনের সূরা বাকারার শুরুতে বর্ণিত আছে।' তাদের ব্যাপারে
আল্লাহ তায়ালা বলেন,