১ম
1.
ফাহিম
তার
সমমনা
বন্ধুদের
নিয়ে
'
অন্বেষা
সংঘ
'
গড়ে
তোলে।
এই
সংঘ
যুবকদের
নানামুখী
প্রশিক্ষণ
দিয়ে
তাদের
স্বাবলম্বী
করে
তোলে।
ইভটিজিং
,
মাদক
সেবন
প্রতিরোধ
করা
,
রাস্তা
মেরামত
,
জলাশয়
পরিষ্কার
,
পথশিশুদের
খাবার
ও
পাঠদান
,
বৃদ্ধাশ্রম
প্রতিষ্ঠা
করে
সমাজে
শান্তিশৃঙ্খলা
আনয়ন
তাদের
লক্ষ্য।
অনিষ্টকারীদের
দমন
ও
নিপীড়িতদের
সাহায্য
দানই
ছিল
তাদের
মুখ্য
উদ্দেশ্য।
'
মোহাজেরিন
'
শব্দের
অর্থ
কী
?
The Public Register of the Arabs'
বলতে
কী
বোঝ
?
ব্যাখ্যা
কর।
উদ্দীপকের
উল্লিখিত
সংগঠনটিতে
মহানবি
(
সা
.)-
এর
গঠিত
কোন
সংগঠনের
প্রভাব
পড়েছে
?
ব্যাখ্যা
কর।
উদ্দীপকের
সংগঠনের
কার্যক্রম
সমাজে
কী
প্রভাব
ফেলবে
?
পাঠ্যবইয়ের
আলোকে
বিশ্লেষণ
কর।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
একজন মহান পুরুষের মৃত্যুর পর তাঁর প্রতিষ্ঠিত রাষ্ট্রে তাঁরই সফল উত্তরাধিকারীগণ ধারাবাহিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করলেন। এদের মধ্যে জনাব 'ক' বয়স্কদের মধ্যে সবার আগে এই আদর্শ গ্রহণ করেছিলেন। জনাব 'ক' ছিলেন সম্পদশালী। তিনি তাঁর ধন-সম্পদ নতুন এই আদর্শ প্রচারে ব্যয় করেন। তাদের মতের অনুসারী অনেক ক্রীতদাসকে তাঁরা স্বীয় অর্থে মুক্ত করেন। বস্তুত, মহান পুরুষের মৃত্যুর পর 'ক' তার এই আদর্শ টিকিয়ে রাখেন।
সুলতান নাসিরউদ্দিন একজন মহান শাসক ছিলেন। ধর্মভীরু শাসক হলেও পরধর্মের প্রতি তিনি কখনই বিদ্বেষ পোষণ করতেন না। বরং খুবই সহনশীল ছিলেন। তিনি অমুসলিমদের উপর থেকে করের বোঝা কমিয়ে দিয়ে নানা রকম সুযোগ সুবিধা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন। অন্যায়ের বিরুদ্ধে তিনি ছিলেন আপোষহীন। তিনি খুলাফায়ে রাশেদিনের আদর্শ ও ইসলামি মূল্যবোধে বিশ্বাসী ছিলেন। তবে তার গৃহীত নীতি, তার বংশের পতনের জন্য দায়ী ছিল।
শাসনক্ষমতা লাভের পর মি, রহিমকে অনেক সমস্যা ও বাধা- বিপত্তির সম্মুখীন হতে হয়। তাঁর সময় ভন্ড ধর্ম প্রচারকদের উদ্ভব, করবিরোধী আন্দোলন ও স্বধর্মত্যাগীদের বিদ্রোহ রাষ্ট্রের ধর্মব্যবস্থার ওপর আঘাত হানে। তিনি সাহস ও দৃঢ়তার সাথে এ জটিল পরিস্থিতি মোকাবিলা করেন। বিশ্বস্ততার জন্য তাঁকে বিশেষ উপাধিতে ভূষিত করা হয়।
হযরত উমর ফারুক (রা) ছিলেন ইসলামের দ্বিতীয় খলিফা। প্রজাবৎসল, জনদরদি এ. খলিফা জনগণের অবস্থা স্বয়ং অবগত হওয়ার জন্য রাতের বেলা ছদ্মবেশে মদিনা শহরে ঘুরে বেড়াতেন। জনসাধারণের সার্বিক কল্যাণ ও উন্নতি বিধানে তিনি নিরলস কাজ করেছেন। প্রশাসনিক বিকেন্দ্রীকরণ তার অন্যতম অবদান। আমিরুল মুমেনিন হিসেবে তিনি সমধিক পরিচিত।