অ্যান্টিবডি ও টিকা

উদ্দীপকের চিত্রিত বস্তুটি-
প্রোটিনের পলিমার
রক্তের প্লাজমা কোষ হতে সৃষ্টি হয়
প্রতিরক্ষার তৃতীয় স্তরে কাজ করে
নিচের কোনটি সঠিক?
অ্যান্টিবডির গঠন (Structure of Antibody)
প্রত্যেক অ্যান্টিবডির মৌলিক গঠন এক । গাঠনিক অংশগুলো নিম্নরূপ:
১. ভারী ও হালকা শৃঙ্খল (Heavy and Light chains) : প্রত্যেক অ্যান্টিবডিতে দুজোড়া পলিপেপটাইড শৃঙ্খল থাকে । এর মধ্যে সদৃশ একজোড়া লম্বা ও ভারী শৃঙ্খল এবং অন্য জোড়া সদৃশ হালকা শৃঙ্খল । ভারী ও হালকা শৃঙ্খলের আণবিক ওজন হচ্ছে যথাক্রমে ৫০-৭০ kD ও ২৩ kD (kiloDaltons) |
২. ডাইসালফাইড বন্ড (Disulfide Bonds) : প্রত্যেক অ্যান্টিবডিতে অন্তত ৩টি আন্তঃশৃঙ্খল ডাইসালফাইড বন্ড রয়েছে । একটি বন্ড থাকে দুই-ভারী শৃঙ্খলের মাঝে, বাকি দুটি থাকে দুপাশে ভারী ও হালকা শৃঙ্খলের মাঝে । অ্যান্টিবডির গড়ন দেখতে Y-আকৃতির মতো। আন্তঃশৃঙ্খল ডাইসালফাইড বন্ডের সংখ্যা বিভিন্ন অ্যান্টিবডিতে বিভিন্ন হতে পারে । প্রত্যেকটি পলিপেপটাইড শৃঙ্খল আবার অন্তঃস্থভাবে অন্তশৃঙ্খল (intra-chain) ডাইসালফাইড বন্ডে যুক্ত থাকে ।
৩. স্থায়ী ও পরিবর্তনশীল অঞ্চল (Constant and Variable regions) : প্রত্যেক অ্যান্টিবডি দুই অঞ্চলবিশিষ্ট
গঠনে নির্মিত: একটি স্থায়ী অঞ্চল, অন্যটি পরিবর্তনশীল অঞ্চল। ধরন অনুযায়ী প্রত্যেক অ্যান্টিবডির ভারী ও হালকা শৃঙ্খলে অ্যামিনো এসিড ক্রম (sequence) অনুযায়ী ওই দুটি অঞ্চলে ভাগ করা যায়। অর্থাৎ নির্দিষ্ট ধরনের ইমিউনোগ্লোবিনের (যেমন-IgG-তে কিংবা IgA-তে) স্থায়ী অ্যামিনো এসিড ক্রম একই থাকে। কিন্তু পরিবর্তনশীল অংশকে অ্যান্টিজেন (জীবাণু) ধরার জন্য আকৃতির পরিবর্তন ঘটিয়ে খাপ খাওয়াতে হয় বলে ক্রমের পরিবর্তন হতে পারে । পরিবর্তনশীল অঞ্চল নির্মাণে ভারী ও হালকা উভয় শৃঙ্খলই অংশ গ্রহণ করে। অ্যান্টিজেন ধরার এ অংশটির নাম প্যারাটপ (paratope)। এটি তালা-চাবি (lock and key) পদ্ধতিতে কাজ করে । এক্ষেত্রে 'চাবি' হচ্ছে প্যারাটপ, আর 'তালা' অ্যান্টিজেন (জীবাণু ভারী শৃঙ্খলের স্থায়ী অঞ্চলে অ্যামিনো এসিডের ক্রম-এর ভিত্তিতে অ্যান্টিবডি মাত্র ৫ ধরনের হলেও পরিবর্তনশীল অঞ্চলের (ভারী ও হালকা শৃঙ্খলের) প্যারাটপে যখন জরুরী অবস্থায় বিশেষ বিশেষ জিনখন্ডের (subgene) এলোপাথাড়ি (random) সম্মিলনের ফলে পরিবর্তন ঘটে তখন কোটি কোটি ভিন্ন ধরনের অ্যান্টিবডির সৃষ্টি হয় । [ এ প্রক্রিয়ার নাম VDJ রিকম্বিনেশন । V= Variable, D= diversity, J = Joining subgene] বিজ্ঞানীদের ধারণা মানুষের দেহে প্রায় ১০০ মিলিয়ন (১০ কোটি) ধরনের অ্যান্টিবডি উৎপন্ন হতে পারে । আমাদের জীবদ্দশায় ১০ কোটি অ্যান্টিজেন দেহে প্রবেশ করবে বা করতে পারে তা অকল্পনীয় ।

Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
জন্মের পর বিভিন্ন রোগের টিকার জন্য যেমন আমাদের দেহে এক ধরনের অনাক্রম্যতার সৃষ্টি হয়; তেমনি জন্মের সময়ও আমাদের দেহে প্রাকৃতিকভাবে এক ধরনের অনাক্রম্যতা সৃষ্টি হয়।
বর্ণার বয়স ৫ বছর। তার কান ব্যথা ও কানে পুঁজ জমেছে।
ডাক্তারের শরণাপন্ন হলে তিনি বললেন, "এটি অনুজীব ঘটিত রোগ কিন্তু সংক্রামক নয় । "
★বর্ণার রোগটি প্রতিরোধে কী ব্যবস্থা নেয়া যেতে পারে?
i.ভ্যাকসিন নেয়া
ii.বায়ু দূষণ থেকে দূরে থাকা
iii.অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করা
নিচের কোনটি সঠিক?
শ্রেণিকক্ষে শিক্ষক বললেন আমাদের দেহে এক ধরনের বিশেষ প্রোটিন অণু তৈরি হয় যা আমাদের ইমিউন সিস্টেমকে সচল রাখে। যা জীবাণুর আক্রমণ হতে প্রতিরক্ষায় বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তিনি আরো বলেন যে, টিকাদান কর্মসূচীর কোন বিকল্প নেই একটি রোগমুক্ত দেশ গড়তে।
হালিমা তার এক মাস বয়সী শিশুকে যক্ষ্মা রোগের টিকা দিয়ে আনল।