হযরত উসমান (রা)
1.
আরশাদ আরও অভিযোগ ওঠে যে, বিভিন্ন গরুত্বপূর্ণ পদে একতরফাভাবে নিজ আত্মীয়স্বজনকে নিয়োগ দিয়েছেন। ফলে অনেক যোগ্য লোক চাকরি পায়নি। অনেককে আবার জোরপূর্বক চাকরিচ্যুত করা হয়।
উষ্ট্রের যুদ্ধ কত খ্রিস্টাব্দে সংঘটিত হয়?
কোন খলিফাকে যুন্নুরাইন বলা হয় এবং কেন? ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের আরশাদ মিয়ার কর্মকাণ্ডের সাথে খলিফা ওসমান (রা.)-এর কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য ব্যাখ্যা কর।
আরশাদ মিয়ার বিরুদ্ধে আনীত স্বজনপ্রীতির অভিযোগের সাথে হযরত ওসমান (রা.)-এর বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের তুলনামূলক আলোচনা কর।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
সম্রাট হুমায়ুন ছিলেন একজন সরলমনা ও প্রজাবৎসল শাসক। তিনি সবসময় রক্তপাত এড়িয়ে যেতেন। তার এই সরলতার সুযোগ নিয়ে একদল বিপথগামী জনতা তার বিরুদ্ধে কতিপয় অভিযোগ এনে বিদ্রোহ শুরু করে। তিনি এ বিদ্রোহ কঠোরহস্তে দমন না করায় তা। ধীরে ধীরে দেশের বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। অবশেষে বিদ্রোহীদের হাতেই তিনি নির্মমভাবে নিহত হন।
জনাব আবছার সাহেব চিলমারী নামক পৌর অঞ্চলের মেয়র নির্বাচিত হয়ে জনগণের মধ্যে শান্তি-শৃঙ্খলা রক্ষা ও প্রশাসনিক কাজের গতি বৃদ্ধি করার জন্য কিছু কর্মকর্তা ও কর্মচারী নিয়োগ প্রদান করেন। কিন্তু ঘটনাক্রমে কিছু কিছু নিয়োগকৃত কর্মকর্তা মেয়রের নিকটতম আত্মীয় ছিল। কিছুদিন পর মেয়রবিরোধী কিছু ব্যক্তি অর্থ আত্মসাৎ ও স্বজনপ্রীতিসহ কিছু অভিযোগ উত্থাপন করে এলাকায় বিশৃঙ্খলা ও গোলযোগ সৃষ্টি করে। এক পর্যায়ে গোলযোগকারীরা মেয়রের বাসভবন ঘেরাও করে তাকে অত্যন্ত নৃশংসভাবে হত্যা করে। এতে এলাকায় গৃহযুদ্ধের সূত্রপাত হয়।
জনাব 'গ' 'একজন চেয়ারম্যান। রাষ্ট্র পরিচালনায় স্বীয় আত্মীয়দের নিয়োগসহ বেশ
কিছু বিষয়ে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আসে। যদিও তার একটিও প্রকৃতপক্ষে সত্য ছিল না।
' অভিযোগগুলোকে কেন্দ্র করে পৌরসভায় এক অরাজক অবস্থার সৃষ্টি হয়। অবশেষে স্বয়ং
চেয়ারম্যানকে হত্যা করা হয়।