একবীজপত্রী ও দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদের মূল ও কান্ডের শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য
একবীজপত্রী উদ্ভিদের মূলের অন্তর্গঠনগত শনাক্তকারী ছয়টি বৈশিষ্ট্য লিখ।
একবীজপত্রী উদ্ভিদ মূলের অন্তর্গঠনগত শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য:
১. মূলত্বকে কিউটিকল অনুপস্থিত। এতে এককোষী রোম আছে।
২. অধঃত্বক নেই।
৩. পরিচক্র একসারি কোষ দিয়ে গঠিত।
৪. ভাস্কুলার বান্ডল অরীয় এবং একান্তরভাবে সজ্জিত।
৫. মেটাজাইলেম কেন্দ্রের দিকে এবং প্রোটোজাইলেম পরিধির দিকে অবস্থিত।
৬. জাইলেম বা ফ্লোয়েম গুচ্ছের সংখ্যা ছয়ের অধিক (দ্বিবীজপত্রী উদ্ভিদ মূলে এই সংখ্যা ২-৪টি)।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
জীববিজ্ঞানের শিক্ষক ব্যবহারিক ক্লাসে একটি উদ্ভিদের দুটি অংশের অন্তর্গঠন ছাত্রদের দেখালেন। একটি অংশের বহিঃত্বকে এককোষী রোম বিদ্যমান। অপরটিতে রোম নেই কিন্তু কিউটিকল আছে।
দ্বিবীজপত্রীর কান্ডে ভাস্কুলার বান্ডল হয়-
উদ্দীপকটি পড়ো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও:
জীববিজ্ঞান ব্যবহারিক ক্লাসে শিক্ষার্থীরা উদ্ভিদের দুটি নমুনার অন্তর্গঠন অণুবীক্ষণ যন্ত্রে পর্যবেক্ষণ করেছে। প্রথম নমুনায় জাইলেম এক্সার্ক ও ভাস্কুলার বান্ডলের সংখ্যা ৬ এর অধিক। দ্বিতীয় নমুনায় জাইলেম এন্ডার্ক