ব্যবস্থাপনার নীতিসমূহ
জনাব আতিক একটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের প্রধান নির্বাহী হিসেবে যোগদান করেন। তিনি কর্মীদের মধ্যে অসন্তোষ দেখে হতাশ। কারণ অনুসন্ধান করে দেখলেন যে, প্রতিষ্ঠানের সব স্তরের কর্মীরা সিদ্ধান্ত গ্রহণে প্রভাব বিস্তার করে। তাই তিনি ব্যবস্থাপনার চলমান পদ্ধতি পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেন। ব্যবস্থাপনাও কর্মীদের মধ্যে দায়িত্ব ও কর্তব্য সুস্পষ্ট করে দেন। প্রতিটি কাজের জন্য গতি ও সময় নির্ধারণ করেন। কর্মীদের পার্থক্যমূলক ঠিকা মজুরি হার এবং বোনাস পদ্ধতির প্রয়োগ ঘটান।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
মি. জুনায়েদ বন্ধন গ্রুপের একজন শীর্ষ নির্বাহী। অধস্তনদের পরিচালনায় তার নীতি এরূপ যে, তিনি সকলের প্রতি সমান ও নিরপেক্ষ আচরণ প্রদর্শন করেন। সুযোগ-সুবিধা বা কোনো প্রকার দন্ড প্রদানে তিনি অধস্তনদের প্রতি কোনোরূপ বৈষম্য করেন না। এ কারণে অধস্তনরা তাকে শ্রদ্ধা ও সম্মানের চোখে দেখে। এছাড়াও তিনি অধস্তনদের সাথে সবসময়ই যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন। ফলে তিনি সহজেই তাদেরকে কার্যসম্পাদনে উদ্বুদ্ধ ও উৎসাহিত করতে পারেন। এতে প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলির নির্বিঘ্ন সম্পাদন নিশ্চিত হয়েছে।
পরিবহন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান 'Lancom PLC' এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব ফাহিম তালুকদার। তিনি তার অধীনস্থদের পূর্ণ স্বাধীনতা প্রদান করেন। তাদের সুপারিশ অনুযায়ী তিনি যাত্রী নিরাপত্তাকে নিশ্চিত করার জন্য লোকেশন শেয়ার ফিচারটি তার পরিবহন অ্যাপে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর পাশাপাশি তিনি তার প্রতিষ্ঠানের তালিকাভুক্ত চালকদের যাত্রাপ্রতি কমিশন হার প্রতিযোগী অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের অনুরূপ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানের চালকের সংখ্যা পূর্বের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।
ফাহাদ MBA পাস করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরি পেয়েছে। প্রথম দিন অফিসে গিয়ে সে দেখেছে প্রতিটি কর্মীকেই তার শিক্ষা ও যোগ্যতা অনুসারে নির্দিষ্ট বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে। সে ভাবলো এই নীতিতে কাজের গতি ও মান বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিছুদিন পর তার বিভাগীয় প্রধান তাকে ডেকে বললেন তাদের প্রতিষ্ঠানের পদমর্যাদা অনুসারে ভিন্ন ভিন্ন নির্দিষ্ট বেতন কাঠামো আছে।
ABC কোম্পানির ক্রয় ব্যবস্থাপক জনাব ইকবাল হোসেন। প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মকর্তাদের কার্যদক্ষতার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেন। প্রতিষ্ঠানের স্বার্থে যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কর্মকর্তাদের দেওয়া আছে। দাম তুলনামূলক কম হওয়ায় ক্রয় ব্যবস্থাপক জনাব ইকবাল হোসেন বিদেশ থেকে সাত টন জুস আমদানি করেন। আমদানির মাত্র এক মাসের মধ্যে শীত এসে যাওয়ায় জুসের বিক্রি কমে যায়। এতে ঐ বছর প্রতিষ্ঠানটি লোকসানের সম্মুখীন হয়।