বাণিজ্য
জনাব ইমরান আমের মৌসুমে রাজশাহী থেকে আম কিনে ঢাকায় বিক্রি করেন। গতানুগতিক ব্যবসায়ীগণ ফরমালিনের কথা চিন্তা না করে রাজশাহীর বাজার থেকে আম কিনে ঢাকায় বিক্রি করেন। কিন্তু জনাব ইমরান সরাসরি রাজশাহীর আমের বাগান থেকে ফরমালিন মুক্ত আম কেনেন। ফরমালিনমুক্ত আম পচে লাভের পরিবর্তে ক্ষতিও হতে পারে, তা জেনেও জনাব ইমরান এই কাজ করেন। কয়েক বছরের মধ্যে তিনি একজন বড় ব্যবসায়ী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
মি. কায়েশের 'TQ' কোম্পানি ভিয়েতনাম থেকে বিভিন্ন ধরনের চাল আমদানি করে বাছাইয়ের পর গ্রেডিং করে। এরপর প্যাকেটজাত করে বিভিন্ন মানের চাল মধ্যপ্রাচ্য্যের বাজারে রপ্তানি করে। মি. কায়েশ টিভি চ্যানেল ও বিলবোর্ডের মাধ্যমে তার কোম্পানির প্যাকেটজাত চালের তথ্য মধ্যপ্রাচ্যে জনসাধারণের নিকট তুলে ধরেন। এতে তার কোম্পানির প্যাকেটজাত চালের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। 'TQ' কোম্পানির মুনাফা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।
মি. পারভেজ একজন ব্যবসায়ী। তিনি চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে আলু ক্রয় করে নিজস্ব ট্রাকে ঢাকায় সরবরাহ করেন। এতে তার ভালো হয়। এছাড়াও তিনি শীতকালে কম দামে আলু ক্রয় করে সংরক্ষণ করেন। এভাবে তিনি তার ব্যবসায়ে সফলতা লাভ করে চলেছেন।
জনি তার জেলা শহরের উৎপাদিত গম সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট সময়ান্তে দেশের বিভিন্ন স্থানে নৌ-পথে সরবরাহ করে। শীতকালে অতিরিক্ত কুয়াশার কারণে ময়দা সরবরাহ করতে দেরি হওয়ায় তাতে পোকার আক্রমণ দেখা দিল।
আম ব্যবসায়ী জনাব রাকিব রাজশাহী থেকে গ্রীষ্ম মৌসুমে বড় বড় আমের বাগান চাষিদের নিকট থেকে ক্রয় করেন। অতঃপর তিনি আমের আকার ও গুণাগুণ ভেদে কয়েকটি শ্রেণিতে ভাগ করেন। তিনি উক্ত আম দেশের বিভিন্ন বাজারে বিক্রয় করে ভালো মুনাফা করেন। পক্ষান্তরে, জনাব সাকিব চীন থেকে ইলেকট্রনিক্স সামগ্রী ক্রয় করে নেপাল ও ভুটানে বিক্রয় করেন। এ থেকে মি. সাকিব প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করেন, যা দেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক অবদান রাখে।