নেতৃত্বের প্রকারভেদ
জনাব শফিক একটি উৎপাদন মুখী প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা পরিচালক। তিনি প্রতিষ্ঠানিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের পূর্বে অধঃস্তনদের সাথে আলাপ-আলোচনা করে নির্দেশনা প্রদান করেন। অন্যদিকের জনাব রফিক একান্ত প্রয়োজন ছাড়া সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে কারো পরামর্শ গ্রহণ করেন না। তবে স্নেহ মমতার মাধ্যমে কর্মীদের কাছ থেকে কাজ আদায় করে নেন। এদের প্রতিষ্ঠানের সুনাম উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
মি. X কর্মীদের ভালো-মন্দ বিবেচনা না করে কাজ আদায়ের বিষয়টিকেই বেশি গুরুত্ব দেন। ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মূল্যায়ন না করেই তিনি বিক্রির উদ্দেশ্যে ১০০ টন পণ্য আমদানি করেন। পরবর্তীতে উক্ত পণ্য বিক্রিতে মুনাফা লাভে তিনি ব্যর্থ হন, যা প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে ।
জনাব মানিক একটি ছোট গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির মালিক। তার উৎপাদিত পণ্য দেশীয় বাজারে বিক্রি করেন। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রায় তিনি নিজেই ঠিক করেন। এরপর কর্মীদের কাছ থেকে নিজেকে দূরে রাখেন। কর্মীরা নিজেই ঠিক করেন কি করতে হবে আর কি করতে হবে না। তিনি বাজারে পরিবর্তনশীল চাহিদা মেটাতে পন্য পরিবর্তনের ঝুঁকি নিতে নারাজ।
প্রতিষ্ঠানে সফলতার পিছনে নেতার ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রাফিদ মোর্শেদ ২০২০ সালে মনে করলেন কর্মীদের কাজের নির্দেশ না দিয়ে তাদের খেয়াল-খুশিমতো চলতে দিলে ভালো হয়। এর পরের তিন বছরের উৎপাদন চিত্র নিম্নরূপ হয়। উৎপাদন রেখা বৃদ্ধির জন্য রাফিদ মোর্শেদ পুনরায় ২০২৪ সালে অধস্তনদের সাথে পরামর্শ ও তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেন। কর্মীদের ভালো-মন্দ, উৎসাহ আগ্রহ বিশেষ বিবেচনায় নিয়ে আসেন।

জনাব দবির তার অধীনস্থ কর্মীদের মাধ্যমে কাজ করিয়ে নিতে সব সময় তৎপর থাকেন। কর্মীদের সাধারণ ওজর আপত্তি তিনি কানেই নেন না। কর্মীদের সাথে তিনি কাজ ছাড়া কোনো ব্যাপারে কথা বলতেও ইচ্ছুক নন। অপরদিকে আবীর তার অধীনস্থ কর্মীদের সাথে ভালো আচরণে অভ্যস্ত। কর্মীদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সমস্যাও তিনি বিবেচনায় নিয়ে কাজের ব্যাপারে অনেক ক্ষেত্রে ছাড় দেন।