বাজার ও বাজার বিভক্তিকরণ
1.
জনাব সেলিম তার ডেইরি ফার্মে ৫০টি গরু পালন করেন। গরুর দুধ দিয়ে তিনি গুঁড়া দুধ তৈরি করেন যার নাম দেন 'সোনালী'। 'সোনালী' গুঁড়াদুধ বাচ্চাদের এবং বয়স্কদের উপযোগী করে (আলাদা আলাদাভাবে) তৈরি করেন। তিনি বিভিন্ন উপায়ে 'সোনালী গুঁড়োদুধের পরিচিতিকরণের ব্যবস্থা করেন। সম্প্রতি তিনি বিনামূল্যে পণ্য প্রদান কর্মসূচিও গ্রহণ করেন। ফলে 'সোনালী' গুঁড়োদুধ ভোক্তাদের নিকট বেশ গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠে
পণ্য একত্রীকরণ কী?
শিল্পবাজারের চাহিদা অনমনীয়'- ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকে জনাব সেলিম 'সোনালী গুড়াদুধ তৈরিতে বাজার বিভক্তিকরণের কোন চলক ব্যবহার করেন? ব্যাখ্যা কর।
তুমি কি মনে কর জনাব সেলিমের ব্যবহৃত বিপণন মিশ্রণের হাতিয়ারটি প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে সহায়ক? সপক্ষে যুক্তি দেখাও।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
শীতল ওয়াটার লি: কোম্পানি বোতলজাত খাবার পানি উৎপাদন ও বিপণন করে। ভোক্তাদের সুবিধার কথা চিন্তা করে তারা সমগ্র বাজারকে শহর, উপশহর এবং গ্রাম এই তিনটি ভাগে ভাগ করে। এছাড়া তারা ক্রেতাদের সাথে সংগতি রেখে মূল্য নির্ধারণ করে। কিন্তু বাজারে শক্তিশালী বিকল্প প্রতিযোগী থাকায় খুব বেশি মুনাফা অর্জন করতে পারছে না। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি বাড়ানো নিয়ে চিন্তিত।
জনাব মারুফা উন্নতমানের সুতা কিনে জামদানি শাড়ি তৈরি করেন। বয়স অনুযায়ী মানসম্মত শাড়ি তৈরি করার জন্য চারদিকে তার ব্যাপক সুনাম সৃষ্টি হয়েছে। তিনি নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশে জামদানি শাড়ি তৈরি করতে চান। এর মাধ্যমে তিনি মধ্যম আয়ের মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
মিস্টার রকিব উন্নতমানের সুতা কিনে তাঁতের শাড়ি তৈরি করেন। বয়স অনুযায়ী মানসম্মত শাড়ি তৈরি করার জন্য চারিদিকে তার ব্যাপক সুনাম সৃষ্টি হয়েছে। তিনি নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশে তাঁতের শাড়ি তৈরির মাধ্যমে মধ্যম আয়ের মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
'প্রমি ফ্যাশন' বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শার্ট ও প্যান্ট দেশের বিভিন্ন স্থানে নিজস্ব শোরুমের মাধ্যমে বিক্রয় করে। প্রতিষ্ঠানটি পুরুষ ও মহিলাদের জন্য ভিন্ন ডিজাইন, রং ও বৈচিত্র্যসম্পন্ন শার্ট, প্যান্ট বিক্রয় করে। এতে ক্রেতারা পছন্দমতো কিনতে পারে। ক্রেতা বাড়তে থাকায় প্রতিষ্ঠানটি বড়, হচ্ছে। অন্যদিকে 'মিনা ফ্যাশন' নামক আরেকটি প্রতিষ্ঠান সমাজের উচ্চ আয়ের ক্রেতাদের জন্য বিদেশি নামকরা ব্র্যান্ডের উচ্চ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন, বৈচিত্র্য ধরনের উৎকৃষ্ট মানের শার্ট ও প্যান্ট আমদানি করে বসুন্ধরা সিটিতে নিজস্ব দোকানে বিক্রি করে। বছর শেষে 'প্রমি ফ্যাশন' ও 'মিনা ফ্যাশন' যথাক্রমে ১.৫ কোটি ও ২.৩৫ কোটি টাকা বিক্রয় করতে সমর্থ্য হয়।