সেই অস্ত্র
1.
ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে দেবীর পূজায় পশু বলিদান বহু বৎসরের চিরাচরিত প্রথা। ভিখারিনী বালিকা অর্পণা প্রথম এ প্রথার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে। তার স্নেহের পুত্তলি ছাগশিশুকে মায়ের পায়ে বলি দেয়ার উদ্দেশ্যে ধরে আনলে বালিকা করুণাবিগলিত চিত্তে রাজার কাছে পশুবলির প্রতিবাদ জানায়। রাজা গোবিন্দমাণিক্য সেই দিনই মন্দিরে মায়ের পূজায় জীব বলির বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞা জারি করেন। এতে ব্রাহ্মণত্ব তথা মন্দিরের প্রভুত্ব হারানোর ভয়ে পুরোহিত রঘুপতি ক্রোধান্বিত হয়ে পড়ে। 'দেবী রাজরক্ত চায়' এই বলে রাজা গোবিন্দমাণিক্যকে হত্যার ষড়যন্ত্র করে, প্রস্তর প্রতিমার মুখ ফিরিয়ে দেয়। শেষপর্যন্ত রাজা গোমিন্দমাণিক্যের প্রেমশক্তির কাছে রঘুপতিকে হার মানতে হয়। কারণ বিশ্বমাতার পূজা প্রেম দ্বারাই হয়। (সূত্র: বিসর্জন- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)
'বিদীর্ণ দর্পণে মুখ' কী ধরনের রচনা?
‘যে অস্ত্র উত্তোলিত হলে বারবার বিধ্বস্ত হবে না ট্রয়নগরী'- উদ্ধৃতাংশের মূলভাব বুঝিয়ে লিখ।
উদ্দীপকের 'রঘুপতি' চরিত্রে 'সেই অস্ত্র' কবিতার কোন দিকটি প্রতিফলিত হয়েছে? ব্যাখ্যা কর।
'সেই অস্ত্র উত্তোলিত হলে
পৃথিবীর যাবতীয় অস্ত্র হবে আনত।'
রাজা গোবিন্দ্রমাণিক্যের জয়ের মাধ্যমে কবির আশাবাদ বাস্তব রূপ লাভ করেছে। কীভাবে? বিশ্লেষণ কর।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
No related questions found