বাজার ও বাজার বিভক্তিকরণ
1.
দৃশ্যকল্প-১ : জনাব শফিক একটি পোশাক প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক। তিনি তার উৎপাদিত পণ্য বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করেন। গ্রীষ্মপ্রধান দেশের চাহিদা অনুযায়ী ঢিলেঢালা জামা কাপড় এবং শীতপ্রধান দেশের চাহিদা অনুযায়ী উষ্ণ জামা-কাপড় তৈরি করেন এবং অর্ডার অনুযায়ী পণ্য পৌঁছানোর ব্যবস্থা করেন। দৃশ্যকল্প-২ : জনাব রফিক একটি ব্যাগ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানের মালিক। তিনি দেশের অভান্তরে ব্যাগ বিক্রয় করেন। সম্প্রতি তিনি ব্যাগের তালিকা মূল্যের উপর ৫% বাট্টা দেন। ফলে বিক্রয় বৃদ্ধি পায় এবং প্রতিষ্ঠানের কাঙ্ক্ষিত উদ্দেশ্য অর্জন সম্ভব হয়।
জনসংযোগ কাকে বলে?
প্রাতিষ্ঠানিক বাজার উদাহরণসহ ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প-১ এ জনাব শফিক কীসের ভিত্তিতে ভোক্তা বাজার বিভক্তিকরণ করেন? ব্যাখ্যা করপ
''উদ্দীপকের দৃশ্যকল্প - ২ এ জনাব রফিকের ব্যবহৃত বিপণন মিশ্রনের হাতিয়ার কাঙ্খিত উদ্দেশ্য অর্জনে সহায়ক'' - মতামত বিশ্ল্রেষণ কর
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
শীতল ওয়াটার লি: কোম্পানি বোতলজাত খাবার পানি উৎপাদন ও বিপণন করে। ভোক্তাদের সুবিধার কথা চিন্তা করে তারা সমগ্র বাজারকে শহর, উপশহর এবং গ্রাম এই তিনটি ভাগে ভাগ করে। এছাড়া তারা ক্রেতাদের সাথে সংগতি রেখে মূল্য নির্ধারণ করে। কিন্তু বাজারে শক্তিশালী বিকল্প প্রতিযোগী থাকায় খুব বেশি মুনাফা অর্জন করতে পারছে না। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটি বিক্রি বাড়ানো নিয়ে চিন্তিত।
জনাব মারুফা উন্নতমানের সুতা কিনে জামদানি শাড়ি তৈরি করেন। বয়স অনুযায়ী মানসম্মত শাড়ি তৈরি করার জন্য চারদিকে তার ব্যাপক সুনাম সৃষ্টি হয়েছে। তিনি নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশে জামদানি শাড়ি তৈরি করতে চান। এর মাধ্যমে তিনি মধ্যম আয়ের মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
মিস্টার রকিব উন্নতমানের সুতা কিনে তাঁতের শাড়ি তৈরি করেন। বয়স অনুযায়ী মানসম্মত শাড়ি তৈরি করার জন্য চারিদিকে তার ব্যাপক সুনাম সৃষ্টি হয়েছে। তিনি নিজস্ব প্রযুক্তি ব্যবহার করে দেশে তাঁতের শাড়ি তৈরির মাধ্যমে মধ্যম আয়ের মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
'প্রমি ফ্যাশন' বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শার্ট ও প্যান্ট দেশের বিভিন্ন স্থানে নিজস্ব শোরুমের মাধ্যমে বিক্রয় করে। প্রতিষ্ঠানটি পুরুষ ও মহিলাদের জন্য ভিন্ন ডিজাইন, রং ও বৈচিত্র্যসম্পন্ন শার্ট, প্যান্ট বিক্রয় করে। এতে ক্রেতারা পছন্দমতো কিনতে পারে। ক্রেতা বাড়তে থাকায় প্রতিষ্ঠানটি বড়, হচ্ছে। অন্যদিকে 'মিনা ফ্যাশন' নামক আরেকটি প্রতিষ্ঠান সমাজের উচ্চ আয়ের ক্রেতাদের জন্য বিদেশি নামকরা ব্র্যান্ডের উচ্চ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন, বৈচিত্র্য ধরনের উৎকৃষ্ট মানের শার্ট ও প্যান্ট আমদানি করে বসুন্ধরা সিটিতে নিজস্ব দোকানে বিক্রি করে। বছর শেষে 'প্রমি ফ্যাশন' ও 'মিনা ফ্যাশন' যথাক্রমে ১.৫ কোটি ও ২.৩৫ কোটি টাকা বিক্রয় করতে সমর্থ্য হয়।