নেতৃত্বের প্রকারভেদ
নীলাচল ইন্ডাট্রিজ লিমিটেড’এর মানব সম্পদ বিভাগের প্রধান নির্বাহী জনাব কাউছার আলম। তিনি কর্মীদের অভিযোগ মনোযোগ দিয়ে শোনেন, স্নেহ-মমতা দিয়ে কাজ আদায় করে নেন। কোনো কর্মী ভুল করলে সংশোধন করে দেন। তাছাড়া যে কোনো প্রতিকূল পরিস্থিতিতে তিনি সামনে থেকে দলকে নেতৃত্ব দেন। এজন্য সবাই তাকে সমীহ করে।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
মি. X কর্মীদের ভালো-মন্দ বিবেচনা না করে কাজ আদায়ের বিষয়টিকেই বেশি গুরুত্ব দেন। ভবিষ্যৎ সম্পর্কে মূল্যায়ন না করেই তিনি বিক্রির উদ্দেশ্যে ১০০ টন পণ্য আমদানি করেন। পরবর্তীতে উক্ত পণ্য বিক্রিতে মুনাফা লাভে তিনি ব্যর্থ হন, যা প্রতিষ্ঠানকে ক্ষতিগ্রস্ত করে ।
জনাব মাহিন ও রবিন একটি মোবাইল সেট উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ব্যবস্থাপক। জনাব মাহিন তার অধীনে কর্মরত কর্মীদের সাথে উত্তম ব্যবহার করে কাজ আদায়ের চেষ্টা করেন। তিনি কর্মীদেরকে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন না, শাস্তিও প্রদান করেন না। অপরদিকে জনাব রবিন কর্মীদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন, ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন ও শাস্তির ভয় দেখিয়ে কাজ আদায়ের চেষ্টা করেন।
জনাব আকাশ প্রতিষ্ঠানের সকল ক্ষমতা নিজের কাছে কেন্দ্রীভূত করে এককভাবে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করে থাকেন। অধীনস্থদের মতামত কে কোন গুরুত্ব দেন না এবং ভয় ভীতি প্রদর্শন এর মাধ্যমে অধীনস্থ দের কাজ করিয়ে প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ঠিকই অর্জন করেন। জনাব আকাশ এর ভবিষ্যৎ উপলব্ধি ও আনুমান করার সামর্থ প্রবল হওয়ায় সময় উপযোগী সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে সক্ষম হন। ফলে উল্লিখিত সীমাবদ্ধতা থাকা সত্ত্বেও তিনি অনেক ক্ষেত্রে যোগ্য ও সফল ব্যবস্থাপক হিসেবে বিবেচিত।
আব্দুল্লাহ আল নোমান একটি রাবার বাগানের সহকারী ব্যবস্থাপক। তিনি শ্রমিক কর্মীদের ব্যাপারে নেতিবাচক ধারণা পোষণ করেন, যার প্রভাব পড়েছে তাদের কাছে। তাদের কাছে উৎসাহ কমে গেছে। ফলে বিগত বছর রাবারের উৎপাদন কমে যায়।