নিমগাছ
1. পরের কারণে স্বার্থ দিয়া বলি
এ জীবন মন সকলি দাও ।
তার মতো সুখ কোথাও কি আছে?
আপনার কথা ভুলিয়া যাও ।
পরের কারণে মরণেও সুখ;
‘সুখ সুখ’ করি কেঁদো না আর ।
যকৃতের পক্ষে ভারি উপকার কোনটি?
মাটির ভিতরে শিকড় অনেক দূরে চলে গেছে।'—বুঝিয়ে লেখো ।
উদ্দীপকটি 'নিমগাছ' গল্পের যে দিকটির প্রতি ইঙ্গিত করে তা ব্যাখ্যা করো।
“উদ্দীপকের ভাববস্তুর সাথে ‘নিমগাছ' গল্পের ভাববস্তুর কিছুটা মিল থাকলেও তা পরিপূর্ণ নয়।”—বিশ্লেষণ করো ।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
সরকারি অফিসের পিওন এখলাস প্রচণ্ড কাজের ভিড়েও মৃদুহাস্যে সবার মন রক্ষা করে চলে। কারো ফাইল এনে দেয়, কারো নাশতা। কারো বাসায় অফিস আদেশ নিয়ে যায়। বাজার করে দেওয়া থেকে বাচ্চার ঔষধ এনে দেওয়া সবই করে। দু-একজনের অশোভন আচরণ তার বুকে আঘাতের মতো বিধে। যখন অশালীন ভাষায় মিথ্যো। অভিযোগ শোনে তখন মরে যেতে ইচ্ছে করে এখলাসের; ইচ্ছে করে চাকরিটা ছেড়ে দিতে; কিন্তু পারে না। সন্তান আর সংসারের দিকে তাকিয়ে নীরবে হজম করে যায়। আর উদাস মনে বলতে থাকে, আমি তো মানুষ না; পিওন
কক্সবাজারের মহালগুলোতে শুটকি উৎপাদনে যে হাজার হাজার শ্রমিক কাজ করছেন তার প্রায় অর্ধেক নারী। সমান কাজ করেও নারী শ্রমিকদের বেতন দেওয়া হয় পুরুষের অর্ধেক। বেতন-বৈষম্য নিয়ে নারীদের মধ্যে তেমন জোরালো কোনো প্রতিবাদ নেই। নারীদের 'পেটের দায়ে শুঁটকি মহালের অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে শ্রমিক হিসেবে কাজ করছেন তারা।' বেশি বেতনের দাবিতে হইচই করলেই তাদের চাকরি হারাতে হয়। চাকরি ছাড়া সংসার চালানো খুবই কষ্টের। এভাবেই নারীরা সবক্ষেত্রে অবদান রাখছে কিন্তু উপেক্ষিত থেকে যাচ্ছে।
কফিল পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি। সে পরিবারের সবার জন্য অনেক কিছু করে। সবার চাহিদা মেটাতে গিয়ে নিজের জীবনের চাওয়া-পাওয়ার হিসাব করা হয়নি তার। তবুও সবার কাছে সবচেয়ে বেশি অবহেলিত, লাঞ্ছিত সে। পরিবারের কেউ তাকে ভালোবাসে না। তাই মাঝে মাঝে মনে হয় এসব দায়িত্ব-কর্তব্য ছেড়ে কোথাও চলে যায় সে, কিন্তু যাওয়া হয়ে ওঠে না ।