ধর্মগ্রন্থে নৈতিক শিক্ষা
1. প্রাপ্তি একবার এক সমস্যায় পড়ে। সে বেদ ও স্মৃতিশাস্ত্রের সাহায্য নিয়ে সমস্যাটি সমাধানের চেষ্টা করে কিন্তু পারে না। শেষ পর্যন্ত একজন মহাপুরুষের আদর্শ অনুসরণ করে সমস্যাটি সমাধান করতে সক্ষম হয়। অন্যদিকে হৃদয়ও একটা সমস্যায় পড়ে। যখন কোনোমতেই সমাধান খুঁজে পাচ্ছিল না তখন সে একটি জায়গায় ধীর স্থিরভাবে বসে চিন্তা করে এবং সমাধানের পথ খুঁজে পায়।
হিরণ্যকশিপুকে কীসের সাহায্যে হত্যা করা হয়েছিল?
মনুষ্যত্বের অন্যতম প্রধান উপাদান সম্পর্কে বুঝিয়ে লেখো।
প্রাপ্তি ধর্মাধর্ম নির্ণয়ের কোন প্রমাণের সাহায্যে সমস্যাটির সমাধান করেছিল? ব্যাখ্যা করো।
প্রাপ্তি ও হৃদয় তাদের সমস্যা সমাধানের ক্ষেত্রে কি ধর্মাধর্ম নির্ণয়ের একই প্রমাণ অনুসরণ করেছে? পাঠের আলোকে যুক্তি দাও।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
আদিকাব্য কোন ধর্মগ্রন্থকে বলা হয়?
সজীব সাধারণ জীবনযাপন করে। সবসময় ন্যায় পথে চলে। অন্যের কোনো কিছু না বলে নেয় না। সে লোভকে আয়তে রেখে সকল কাজ সমাধা করে। অপরদিকে মানস তাদের গ্রামে রাতের বেলায় পালাগান অনুষ্ঠান দেখছিল। পালাগানে সে দেখল ভাইয়ে ভাইয়ে ভয়বহ যুদ্ধ হচ্ছে। যারা অন্যায়ভাবে অপরের বস্তু কেড়ে নিতে চায় ঈশ্বর তাদের ক্ষমা করেন না। তাই এ যুদ্ধ ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠা করার জন্য যুদ্ধ।
অর্ক রিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। একদিন এক যাত্রী ভুলবশত তার রিক্সায় টাকার ব্যাগ ফেলে যান। অর্ক ব্যাগটি খুলে দেখে, তাতে অনেক টাকা রয়েছে। সে ব্যাগটি থানায় জমা দিতে চাইলে 'খ' নামক তার এক বন্ধু নিষেধ করে। সে টাকাগুলো নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার কথা বলে। কিন্তু অর্ক তার কথায় কান না দিয়ে ব্যাগটি থানায় জমা দেয়। ব্যাগটির মালিক থানা থেকে ব্যাগটি নেওয়ার সময় অর্কর সাথে দেখা করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাকে পঞ্চাশ হাজার টাকা পুরস্কার দেন।
প্রলয় বিশ্বস্ততার সাথে একটি কারখানায় চাকরি করেন। কারখানার মালিক তাকে বিশ্বাস করে সমস্ত আর্থিক দায়িত্ব তার উপর অর্পণ করে। গরিব হলেও সে কখনও বিশ্বাসের অমর্যাদা করেনি। অপরদিকে, অমিয় একটি অমায়িক ছেলে। সে পরিবারসহ বড় এবং ছোটদের সাথে কীভাবে ব্যবহার করতে হয় সেটা ঠিকভাবে পালন করে।