কৃষি খাতে পরিবর্তনের ধারা
1.
বাংলাদেশ বর্তমানে মধ্যম আয়ের দেশ। বিভিন্ন খাতের মতো কৃষির অবদান যথেষ্ট। আগে অধিকাংশ জমি ছিল এক ফসলি। এখন কোনো জমি পতিত নেই। প্রতিটি জমিতে বছরে তিন/চার ফসলও উৎপন্ন হয়। আলুর সাথে মিষ্টিকুমড়া ও ভুট্টা হয়। ফলে কৃষকের আয় বাড়ছে, নতুন কৃষি যন্ত্রপাতির ব্যবহার বাড়ছে, কৃষকের চাহিদা পূরণ হচ্ছে। সরকার ও কৃষকের জন্য আর্থিক প্রণোদনাসহ বীজ, কীটনাশক সরবরাহ করে কৃষকদের সহায়তা করছে।
কৃষি প্রযুক্তি কী?
বাণিজ্যিক ও জীবননির্বাহী খামারের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ দুটি পার্থক্য লেখো।
উদ্দীপকের আলোকে শস্য বহুমুখীকরণের সুবিধাসমূহ ব্যাখ্যা করো।
শস্য বহুমুখীকরণে সরকার কর্তৃক গৃহীত পদক্ষেপসমূহ কি যথেষ্ট? উদ্দীপকের আলোকে বিশ্লেষণ করো।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
শিমুল সিলেট থেকে রংপুরে দাদু'র বাড়িতে বেড়াতে যায়। সে দেখে গত বছর যে সমস্ত জমিতে তামাক আবাদ হয়েছিল, সেখানকার অনেক জমিতে এবার ধান ও ভুট্টা আবাদ হয়েছে। বিষয়টি তাকে খুব আনন্দ দেয়।
বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (GDP)-এ অর্থনৈতিক খাতসমূহের অবদানের কাঠামোগত পরিবর্তন ও ধারা নিম্নরূপ:-

গত কয়েক বছর ধরে নবীন মিয়া তার জমিতে একই ফসল উৎপাদন করায় উৎপাদন দিন দিন কমে আসছে। উপজেলা কৃষি অফিস থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে জানতে পারলেন যে জমিতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ফসল উৎপাদন করলে আর্থিকভাবে লাভবান হওয়া যায়। তাই তিনি উক্ত জমিতে বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন ফসল উৎপাদন শুরু করলেন।
বাংলাদেশে প্রাকৃতিক দুর্যোগ 'মোখা' এর কারণে কক্সবাজার ও সেন্টমার্টিন-এর নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয় এবং জলাবদ্ধতাসহ লবণাক্ততা বৃদ্ধি পায়। তাই বিশেষজ্ঞগণ লবণাক্ত ও জলাবদ্ধ অঞ্চলের জন্য বিভিন্ন কৃষি প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন। যার সাহায্যে এই ভয়াবহ অবস্থা মোকাবিলা করা সম্ভব হয়েছে।