ধর্মগ্রন্থে নৈতিক শিক্ষা
1. বিমল খুবই ভালো ছাত্র ছিল। সে অসৎ সঙ্গে মিশে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। তার বাবা-মা অত্যন্ত চিন্তিত হয়ে তাকে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করিয়ে দেন। অন্যদিকে, প্রতিম অন্যের দোকানে ম্যানেজার হয়ে প্রত্যেক দিন অনেক টাকা-পয়সার লেনদেন করে। মালিক সরল বিশ্বাসে তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন বিধায় সেও বিশ্বাসের অমর্যাদা করেনি।
ধর্মপথ কাকে বলে?
ইন্দ্রিয়কে কীভাবে বশীভূত করা যায়? ব্যাখ্যা করো।
বিমলের এই অবস্থার প্রতিকার ও প্রতিরোধের উপায় তোমার পাঠের আলোকে বর্ণনা করো।
প্রতিমের বিশ্বাস "সততাই সর্বোৎকৃষ্ট পন্থা"- পঠিত বিষয়ের আলোকে মূল্যায়ন করো।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
প্রথমার বাবা প্রথমাকে বিয়ে দেওয়ার জন্য পাত্র খুঁজছেন। একবার 'ক' নামক এক ছেলের সঙ্গে বিয়ের কথা প্রায় শেষ পর্যায়ে এসেছিল। এমন সময় পাত্রপক্ষ প্রথমার বাবার কাছে একটি প্রাইভেট কার দাবি করে। প্রথমার বাবা একথা শোনার সাথে সাথেই বলেন- 'এমন ছোট মনের মানুষের সাথে আমার মেয়ের বিয়ে দেব না।'- যদিও একটা প্রাইভেট কার দেওয়ার মতো যথেষ্ট সামর্থ্য প্রথমার বাবার ছিল। তাছাড়া বিষয়টি তার কাছে অসম্মানজনক কাজ বলে মনে হয়।
আদিকাব্য কোন ধর্মগ্রন্থকে বলা হয়?
সজীব সাধারণ জীবনযাপন করে। সবসময় ন্যায় পথে চলে। অন্যের কোনো কিছু না বলে নেয় না। সে লোভকে আয়তে রেখে সকল কাজ সমাধা করে। অপরদিকে মানস তাদের গ্রামে রাতের বেলায় পালাগান অনুষ্ঠান দেখছিল। পালাগানে সে দেখল ভাইয়ে ভাইয়ে ভয়বহ যুদ্ধ হচ্ছে। যারা অন্যায়ভাবে অপরের বস্তু কেড়ে নিতে চায় ঈশ্বর তাদের ক্ষমা করেন না। তাই এ যুদ্ধ ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠা করার জন্য যুদ্ধ।
অর্ক রিক্সা চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করে। একদিন এক যাত্রী ভুলবশত তার রিক্সায় টাকার ব্যাগ ফেলে যান। অর্ক ব্যাগটি খুলে দেখে, তাতে অনেক টাকা রয়েছে। সে ব্যাগটি থানায় জমা দিতে চাইলে 'খ' নামক তার এক বন্ধু নিষেধ করে। সে টাকাগুলো নিজেদের মধ্যে ভাগ করে নেওয়ার কথা বলে। কিন্তু অর্ক তার কথায় কান না দিয়ে ব্যাগটি থানায় জমা দেয়। ব্যাগটির মালিক থানা থেকে ব্যাগটি নেওয়ার সময় অর্কর সাথে দেখা করে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তাকে পঞ্চাশ হাজার টাকা পুরস্কার দেন।