বাজার ও বাজার বিভক্তিকরণ
1. মলি ইলেকট্রনিক্স লি. গত কয়েক বছর ধরে উন্নত মডেলের 'Vive' মোবাইল ফোন বাজারজাতকরণ করে আসছে। প্রতিষ্ঠানটি সকল শ্রেণির ক্রেতাদের নিকট মোবাইল সেট বিক্রয়ের জন্য দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শোরুম প্রতিষ্ঠা করেছে। কিন্তু ক্রেতাদের 'Vive' মোবাইল ফোন সম্পর্কে তেমন ধারণা না থাকায় বিক্রয় কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যে, পৌঁছাতে পারেনি। ফলে কোম্পানিকে লোকসান গুণতে হচ্ছে। প্রতিষ্ঠানটি ক্ষতি হতে উত্তরণের পথ খুঁজছে।
বাজারজাতকরণ মিশ্রণ কাকে বলে?
ভোক্তাকে বিপণন মিশ্রণের কেন্দ্রবিন্দুতে রাখা হয় কেন? ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকে উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটি কোন বাজারের অন্তর্ভুক্ত? ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকে বর্ণিত প্রতিষ্ঠানটির ক্ষতি থেকে উত্তরণের জন্য বিপণন মিশ্রণের কোন উপাদানটির ব্যবহার যুক্তিযুক্ত উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
'প্রমি ফ্যাশন' বিভিন্ন ব্র্যান্ডের শার্ট ও প্যান্ট দেশের বিভিন্ন স্থানে নিজস্ব শোরুমের মাধ্যমে বিক্রয় করে। প্রতিষ্ঠানটি পুরুষ ও মহিলাদের জন্য ভিন্ন ডিজাইন, রং ও বৈচিত্র্যসম্পন্ন শার্ট, প্যান্ট বিক্রয় করে। এতে ক্রেতারা পছন্দমতো কিনতে পারে। ক্রেতা বাড়তে থাকায় প্রতিষ্ঠানটি বড়, হচ্ছে। অন্যদিকে 'মিনা ফ্যাশন' নামক আরেকটি প্রতিষ্ঠান সমাজের উচ্চ আয়ের ক্রেতাদের জন্য বিদেশি নামকরা ব্র্যান্ডের উচ্চ বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন, বৈচিত্র্য ধরনের উৎকৃষ্ট মানের শার্ট ও প্যান্ট আমদানি করে বসুন্ধরা সিটিতে নিজস্ব দোকানে বিক্রি করে। বছর শেষে 'প্রমি ফ্যাশন' ও 'মিনা ফ্যাশন' যথাক্রমে ১.৫ কোটি ও ২.৩৫ কোটি টাকা বিক্রয় করতে সমর্থ্য হয়।
'আরিবা ফ্যাশন লিমিটেড' থাইল্যান্ড থেকে ২ হতে ৮ বছর বয়সী শিশুদের পোশাক আমদানি করে তাদের নিজস্ব শোরুমের মাধ্যমে বিক্রয় করে। প্রতিষ্ঠানটি তাদের পণ্যের বিক্রয় বৃদ্ধির লক্ষ্যে দৈনিক পত্রিকা, ম্যাগাজিন, বিলবোর্ড ও ফেসবুকে পেইজ খুলে নিয়মিতভাবে তথ্য প্রচার করে। এর ফলে উক্ত প্রতিষ্ঠানের পণ্যের বিক্রয় বৃদ্ধি পায়।
ময়মনসিংহ শিক্ষা নগরী। বিভিন্ন অঞ্চল থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা এখানে লেখাপড়া করতে আসে। তাই এখানে মেসে প্রচুর ছেলে-মেয়েরা থাকে। ময়মনসিংহে ১৪-১৫ বছর বয়সের ছেলে-মেয়ে বেশি। তাই এখানে মিসেস রাইহানা মেয়েদের পোশাক বানানোর একটি দোকান দেন। এখানে তিনজন মেয়েকে কাজে রাখেন, যারা সেলাই করতে পারে। তিনি তার দোকানে একটি সাইনবোর্ড লাগান যেখানে লেখা, মেয়েদের কলেজের পোশাকসহ কামিজ সেলোয়ার বানানো হয় সুলভ মূল্যে।
অনিম ফ্যাশন বিদেশ থেকে ৭-১২ বছরের শিশুদের জন্য শীতকালীন পোশাক আমদানি করে ঢাকা শহরে বিক্রি করে। শিশুদের ব্যাপারে সবাই বেশি সচেতন থাকে তাই ভালো জিনিস ব্যবহার করতে চায়। এক্ষেত্রে বিদেশি পণ্যের চাহিদা বেশি তাই তাদের দেখাদেখি অনেক প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেছে। সম্প্রতি প্রতিযোগিতা বেড়ে যাওয়ায় প্রতিষ্ঠানটি টেলিভিশনে আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন দিয়ে বিক্রি বাড়াতে সক্ষম হয়।