পাঠ- ৩ : সুলতান মাহমুদ: সামরিক অভিযান, চরিত্র ও কৃতিত্ব
1. মাদাইন রাজ্যটির একপাশে পাহাড়-পর্বত ও অন্যপাশে ছিল কৃষি কাজের অনুপযোগী বিস্তৃত ভূভাগ। পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়ায় এর আবহওয়া ও জলবায়ু শুষ্ক ছিল। ফলে সারা বছর এ অঞ্চলে খাদ্যাভাব লেগেই থাকতো। পক্ষান্তরে পার্শ্ববর্তী রাজ্য কাশগর ছিল সুজলা-সুফলা- শস্য-শ্যামল অঞ্চল। দেশের খাদ্যাভাব দূর করার লক্ষ্যে মাদাইন সম্রাট তার রাজত্বকালে বহুবার পার্শ্ববর্তী রাজ্য আক্রমণ করেন। খাদ্য-দ্রব্যাদি ছাড়াও এ অঞ্চল থেকে লুটে নেওয়া ধনসম্পদের ছারা তিনি তার রাজ্যকে জ্ঞান-বিজ্ঞান, শিল্প-সাহিত্য ও স্থাপত্যকলায় এক অনন্য উচ্চতায় উপনীত করতে সক্ষম হন।
সুলতান মাহমুদের পিতার নাম কী?
আবুল কাশেম ফেরদৌসি সম্পর্কে কী জান?
উদ্দীপকে উল্লেখিত সম্রাটের সাথে তোমার পঠিত শাসকের পার্শ্ববর্তী অঞ্চল আক্রমণের সাদৃশ্য নির্ণয় করো।
সামঞ্জস্যপূর্ণ শাসকের পার্শ্ববর্তী অঞ্চল আক্রমণের ফলাফল সুদূরপ্রসারী ছিল- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
দুর্ধর্ষ মোঙ্গল নেতা চেঙ্গিস খান তার জীবদ্দশায় অসংখ্য সামরিক অভিযান পরিচালনা করেন। তিনি কোন যুদ্ধেই পরাজিত হননি। তবে সামরিক অভিযানকালে তার বাহিনী ব্যাপক লুঠতরাজ, হত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালাত। তিনি যুদ্ধ জয়ের মাধ্যমে একটি সাম্রাজ্য তার উত্তরাধিকারীদের জন্য রেখে যান।
একজন মুসলিম বিজেতা সর্বশেষ অভিযান প্রেরণ করেছিলেন জাঠদের বিরুদ্ধে। এ বিজেতা সোমনাথ হতে প্রত্যাবর্তনের সময় মুসলিম বাহিনী জাঠদের দ্বারা উৎপীড়িত হয়েছিল। ১৪০০টি নৌকার নৌবহর নিয়ে সুলতান মুলতান জাঠদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ পরিচালনা করেন। প্রতিটি নৌকায় ২০ জন তীরন্দাজ ছিল এবং অগ্নি নিক্ষেপের সরঞ্জাম ছিল। যুদ্ধে জাঠরা পরাজিত হয় এবং তাদের অধিকাংশ নিহত হয়।
উত্তর ইউরোপের নরম্যানরা একসময় আটলান্টিক উপকূলের বিভিন্ন সমৃদ্ধ অঞ্চলে অভিযান চালিয়ে সেখানকার মূল্যবান জিনিসপত্র নিজ এলাকায় নিয়ে আসত। প্রায় প্রতি বছর অভিযান করে যেসব সম্পদ আনা হতো তা দিয়ে নরম্যান অঞ্চলকে সমৃদ্ধ করা হতো। নিজেদের আর্থিক উন্নয়ন ও নগর সমৃদ্ধকরণে এসব ব্যবহার করা হতো।