ব্যবস্থাপনার নীতিসমূহ
মি. জামিল আহমেদ চৌধুরী গ্রুপ অব কোম্পানির একজন নির্বাহী পরিচালক। তিনি তার প্রতিষ্ঠানের সকল কর্মীদের ব্যক্তিগত খোঁজ-খবর নেন এবং মতামতকে মূল্য দেন। প্রতিষ্ঠানের পরিকল্পনা প্রণয়ন, নীতি নির্ধারণ এবং বার্ষিক লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণের কাজ তিনি পরিচালনা পর্ষদের সাথে পরামর্শ করে ঠিক করেন। গৃহীত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে অধস্তন কর্মকর্তাগণ অবস্থা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নেন। বিগত বছরে প্রতিষ্ঠানটি কাঙ্ক্ষিত মুনাফা অর্জন করতে সক্ষম হয়।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
মি. জুনায়েদ বন্ধন গ্রুপের একজন শীর্ষ নির্বাহী। অধস্তনদের পরিচালনায় তার নীতি এরূপ যে, তিনি সকলের প্রতি সমান ও নিরপেক্ষ আচরণ প্রদর্শন করেন। সুযোগ-সুবিধা বা কোনো প্রকার দন্ড প্রদানে তিনি অধস্তনদের প্রতি কোনোরূপ বৈষম্য করেন না। এ কারণে অধস্তনরা তাকে শ্রদ্ধা ও সম্মানের চোখে দেখে। এছাড়াও তিনি অধস্তনদের সাথে সবসময়ই যোগাযোগ রক্ষা করে চলেন। ফলে তিনি সহজেই তাদেরকে কার্যসম্পাদনে উদ্বুদ্ধ ও উৎসাহিত করতে পারেন। এতে প্রতিষ্ঠানের কার্যাবলির নির্বিঘ্ন সম্পাদন নিশ্চিত হয়েছে।
জনাব ইফতি ডায়মন্ড গার্মেন্টস লি. এ উৎপাদন ব্যবস্থাপক হিসেবে যোগদান করেন। তিনি তার অধীনস্থ সকল জনশক্তির কাজকে সুনির্দিষ্ট করে দেন। অনুসন্ধান করে জানতে পারলেন চাকরি চলে যাওয়ার ভয়ে অনেকে কাজে আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। তাছাড়া সুযোগ আসলেই অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে যাচ্ছেন। জনাব ইফতি এ সমস্যা উত্তরণের প্রচেষ্টা চালাচ্ছেন।
পরিবহন সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান 'Lancom PLC' এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব ফাহিম তালুকদার। তিনি তার অধীনস্থদের পূর্ণ স্বাধীনতা প্রদান করেন। তাদের সুপারিশ অনুযায়ী তিনি যাত্রী নিরাপত্তাকে নিশ্চিত করার জন্য লোকেশন শেয়ার ফিচারটি তার পরিবহন অ্যাপে যুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর পাশাপাশি তিনি তার প্রতিষ্ঠানের তালিকাভুক্ত চালকদের যাত্রাপ্রতি কমিশন হার প্রতিযোগী অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের অনুরূপ করার ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। বর্তমানে তার প্রতিষ্ঠানের চালকের সংখ্যা পূর্বের চেয়ে অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।
ফাহাদ MBA পাস করে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের চাকরি পেয়েছে। প্রথম দিন অফিসে গিয়ে সে দেখেছে প্রতিটি কর্মীকেই তার শিক্ষা ও যোগ্যতা অনুসারে নির্দিষ্ট বিভাগে পদায়ন করা হয়েছে। সে ভাবলো এই নীতিতে কাজের গতি ও মান বৃদ্ধি পাচ্ছে। কিছুদিন পর তার বিভাগীয় প্রধান তাকে ডেকে বললেন তাদের প্রতিষ্ঠানের পদমর্যাদা অনুসারে ভিন্ন ভিন্ন নির্দিষ্ট বেতন কাঠামো আছে।