একমালিকানা ব্যবসায়ের বিষয়বস্তু
1. মি. রহমান সাহেব ঢাকার নিউমার্কেটে একটি ব্যবসায় পরিচালনা করেন। তিনি তার দোকান থেকে পাইকারি ও খুচরা দুইভাবে বিক্রয় করেন। মি. রহমান সাহেব নিজেকেই বিভিন্ন পরিস্থিতিতে তার নিজের সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন। যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও তিনি চাকুরি না করে এই ব্যবসায় পরিচালনা করছেন।
দেউলিয়া বলতে কী বোঝ?
একমালিকানা ব্যবসায় সহজে বিলুপ্তি হয় কেন?
মি. রহমান সাহেব মালিকানার ভিত্তিতে কোন ধরনের ব্যবসায় করছেন ব্যাখ্যা করো।
মি. রহমান চাকুরি না করে ব্যবসায় করার সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা করো।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
জনাব আসাদ ৫ বছর বিদেশে থেকে দেশে ফিরে এসে গঞ্জে একটি দোকান ভাড়া নিয়ে ব্যবসায় শুরু করেন। ব্যবসায়ে ব্যাপক ক্রেতার সাড়া পাওয়ায় তার একার পক্ষে ব্যবসায় পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ে। তাই তিনি তার আপন ভাইকে ব্যবসায়ে সহযোগিতার জন্য মাসিক চুক্তিতে নিয়োগ দেন। কিছু দিনের মধ্যে ব্যবসায়ে পর্যাপ্ত মুনাফা হয়। ফলে তিনি ব্যবসায় সম্প্রসারণের সিদ্ধান্ত নেন। এজন্য অতিরিক্ত মূলধনের প্রয়োজন। তার ভাই তাকে স্থানীয় ব্যাংকের সাথে যোগাযোগ করার পরামর্শ প্রদান করেন।
জনাব রিয়াজ ঢাকার যাত্রাবাড়িতে একটি স্টেশনারি দোকান স্থাপন করেন। তার দোকানের কাছে চারটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান রয়েছে। তিনি লক্ষ করলেন বর্তমান শিক্ষার্থীদের অধিকাংশের কাজ হচ্ছে ইন্টারনেটভিত্তিক। তিনি নতুন এই পরিস্থিতিতে ২টি কম্পিউটার, ২টি প্রিন্টার ও ২টি | মডেম দোকানের জন্য ক্রয় করেন। তাছাড়া ২ জন দক্ষ কর্মী নিয়োগ দেন। তার ব্যবসায় এখন আগের থেকেও বেশি পরিচিতি পেয়েছে এবং বেশি বিক্রয় সম্ভব হচ্ছে।
'অংকুর এন্টারপ্রাইজ' শহরের বেশ স্বনামধন্য বুটিক হাউস প্রতিষ্ঠান। বাজারে প্রতিযোগিতা মোকাবেলায় প্রতিষ্ঠানটি ভোক্তাদের চাহিদা অনুযায়ী বিভিন্ন উৎসবের সাথে সামঞ্জস্য রেখে পণ্য তৈরি করে। ফলে তার পণ্যের চাহিদা ব্যাপক। ইদানীং পর্যাপ্ত লোকবলের অভাবে ক্রেতাদের সময়মতো পণ্য ডেলিভারি দিতে পারছে না। এমতাবস্থায় তার বান্ধবী ফাতেমা ও শামিমের সহযোগিতায় ব্যবসায় সম্প্রসারণের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। ফলে প্রতিষ্ঠানটি সফলতা লাভ করে।
স্বল্প শিক্ষিত মোঃ ফজলে রাব্বি কুষ্টিয়া পোস্ট অফিস মোড়ে স্বল্প পুঁজি নিয়ে একটি ফ্লেক্সিলোড, ফ্যাক্স ও ফটোস্ট্যা দোকান দেন। তিনি নিজেই ফটোকপি করেন এবং ব্যবসায় পরিচালনা করেন। ভালো লাভ হওয়ায় তিনি ব্যবসায় সম্প্রসারণের চিন্তা করেন। এমতাবস্থায় তিনি তথ্য ও প্রযুক্তি খাতের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের কথা ভেবে প্রতিষ্ঠানের জন্য ১০টি কম্পিউটার ও প্রিন্টার ক্রয় করেন। ১০ জন বেকার যুবক-যুবতী নিয়োগ দেন এবং দক্ষ করে গড়ে তোলেন। প্রতিষ্ঠানে ইন্টারনেট যুক্ত করেন। এর ফলে গ্রাহকদের কম খরচে উন্নত সেবা দেওয়া সম্ভব হচ্ছে। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানে গ্রাহকদের ভিড় লেগেই থাকে। ফজলে রাব্বি এখন একজন প্রতিষ্ঠিত ব্যবসায়ী।