রপ্তানী মুখী শিল্প
1. মি. রহিম একটি গার্মেন্টস শিল্প পরিচালনা করেন। এ শিল্পটি বাংলাদেশে খুব দ্রুত বিকশিত হচ্ছে। এ শিল্পের উৎপাদিত দ্রব্য দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করে। বর্তমানে এ শিল্পে ৫০ লক্ষের মতো শ্রমিক কাজ করে। মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ এ শিল্প হতে আসে। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের এ শিল্পের খুব সুনাম রয়েছে।
শিল্প কাকে বলে?
শিল্প সংরক্ষণ বলতে কী বোঝায়?
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিল্পটি কি ধরনের শিল্প-ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকে উল্লিখিত শিল্পটি বাংলাদেশের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের গুরুত্বপূর্ণ খাত-ব্যাখ্যা করো।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
অধ্যাপক নওশাদ তার শ্রেণিকক্ষে বাংলাদেশের শিল্প সম্পর্কে পাঠদান করতে গিয়ে বলেন, পাট, চামড়া ও তৈরি পোশাক ইত্যাদি বাংলাদেশের প্রধান শিল্প। ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ, মূলধনের স্বল্পতা, কারিগরি জ্ঞানের অভাব, দক্ষ শ্রমিকের অভাব, অবকাঠামোগত দুর্বলতা ইত্যাদি বাংলাদেশের শিল্পের অনগ্রসরতার প্রধান কারণ। সম্প্রতি সরকার দেশে দ্রুত শিল্পায়নের লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব নীতি গ্রহণ করেছে।
শিল্পটির যাত্রা ১৯৭৬ সালে। বর্তমানে "Y" দেশের মোট রপ্তানি আয়ে দুই- -তৃতীয়াংশ শিল্পটি থেকে আসে, কোটা আরোপ ঋণের অসুবিধা রয়েছে শিল্পটিতে। কিন্তু কর্মসংস্থান ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।