মহাজাগতিক কিউরেটর
1. রতন তার ছোট ভাইকে নিয়ে একদিন পঙ্খীরাজ ঘোড়ায় চেপে উড়ে উড়ে মঙ্গলগ্রহে গিয়ে নামে। সেখানে অদ্ভুত আকৃতির অসংখ্য প্রাণী দেখে তারা বিমোহিত হয়। সেখানে একটি বাগানে প্রবেশ করতেই নীল রঙের তিন বা বিশিষ্ট একদল প্রাণী তাদের আক্রমণ করে। আত্মরক্ষার তাগিদে রতন তার ছোট ভাইকে সেখানে রেখেই পঙ্খীরাজ ঘোড়ায় উঠে বসে। নিমিষেই সে একাকী মঙ্গলগ্রহ থেকে স্বস্থানে ফিরে এসে পঙ্খীরাজ থেকে নামতে গিয়ে মাটিতে পড়ে যায় এবং ঘুম ভাঙতেই স্বপ্ন হারিয়ে যায়।
'মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পে উল্লিখিত সৌরজগতের তৃতীয় গ্রহের নাম কী?
মানুষ নিজেরাই নিজেকে ধ্বংস করে"- কীভাবে?
রতন একাকী মঙ্গল গ্রহ থেকে স্বস্থানে ফিরে আসার কারণটি 'মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
'মহাজাগতিক কিউরেটর' গল্পের পিঁপড়া আর মঙ্গল গ্রহের অদ্ভুত প্রাণীগুলো যেন একই মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ"- উক্তিটি বিশ্লেষণ করো।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
'মহাজাগতিক কিউরেটর' রচনায় বর্ণিত নিজের শরীর থেকে দশগুণ বেশি জিনিস অনায়াসে নিয়ে যেতে পারে কোন প্রাণী?
কল্পনার রাজকুমার তার ছোট ভাইকে নিয়ে একদিন পঙ্খীরাজ ঘোড়ায় চড়ে উড়ে উড়ে মঙ্গল গ্রহে গিয়ে নামে। সেখানে অদ্ভুত আকৃতির অসংখ্য প্রাণী দেখে তারা বিমোহিত হয়। একটি বাগানে প্রবেশ করতেই নীল রঙের তিন পা বিশিষ্ট একদল প্রাণী তাদের আক্রমণ করে। আত্মরক্ষার তাগিদে রাজকুমার তার ছোট ভাইকে রেখেই পঙ্খীরাজ ঘোড়ায় উঠে বসে। নিমেষেই রাজকুমার একাকী মঙ্গল গ্রহ হতে আপন রাজ্যে ফিরে আসে।
'মহাজাগতিক কিউরেটর' রচনায় স্বেচ্ছা ধ্বংসকারী প্রাণী বলতে কাদের বোঝানো হয়েছে?