বাংলাদেশর অর্থনীতির ঐতিহাসিক পটভূমি
1. রুবেল তার বিদেশি বন্ধু জেমসকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও তার পূর্ববর্তী সময়ের ইতিহাস বর্ণনা করলেন। রুবেল স্পষ্ট করেই ব্যাখ্যা করলেন অতীতে বাংলাদেশ ছিল ধন-সম্পদে ভরপুর। ব্রিটিশ ও পাকিস্তানিদের শাসন ও শোষণে এদেশ পরিণত হয় একটি গরিব ও অনুন্নত রাষ্ট্রে। পাকিস্তানিদের বিমাতাসুলভ আচরণ আমাদের জাতীয় আয়, জীবনযাত্রার মান, ব্যবসা-বাণিজ্য সর্বক্ষেত্রে বৈষম্য সৃষ্টি করে। স্বাধীনতা পরবর্তী সময়ে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগ দেশকে ধীরে ধীরে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। অর্থনৈতিক দিক দিয়ে বাংলাদেশ এখন আর স্থবির রাষ্ট্র নয়।
অর্থনৈতিক কাঠামো বলতে কী বোঝ?
স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময়ে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা কেমন ছিল?
উদ্দীপকের আলোকে পাকিস্তান শাসনামলের অর্থনৈতিক বৈষম্য ব্যাখ্যা করো।
রুবেলের বক্তব্য- বাংলাদেশ স্থবির রাষ্ট্র নয়, ধীরে, ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে, তুমি কি মনে কর, বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনাময়? মতামত দাও।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
স্বাধীনতা লাভের আগে বিভিন্ন আমলে বাংলাদেশ বিভিন্নভাবে শোষিত ও বঞ্চিত হয়েছে। এর ফলে স্বাধীনতা লাভের পর বাংলাদেশ অর্থনৈতিক দিক দিয়ে দুর্বল ও পশ্চাৎপদ রয়ে যায়। বর্তমানে বাংলাদেশের কৃষি, শিল্প, শিক্ষা, স্বাস্থ্য প্রভৃতি ক্ষেত্রে গুণগত পরিবর্তন অর্জিত হয়েছে। দেশের অর্থনীতিতে এখন কোনো স্থবিরতা নেই, বরং অর্থনীতির প্রায় সর্বক্ষেত্রেই গতিশীলতা এসেছে।
বাংলাদেশের জিডিপিতে খাতওয়ারী অবদান (শতকরা);
খাত সমূহ | ১৯৮৫-৮৬ | ১৯৯৫-৯৬ | ২০০১-০২ | ২০১২-১৩ |
|---|---|---|---|---|
কৃষি | ৩১.১৫ | ২৫.৬৮ | ২৫.০৩ | ১৬.৭৮ |
শিল্প | ১৭.৩১ | ২৪.৮৭ | ২৬.২০ | ২৯.০০ |
সেবা | ৪৯.৬২ | ৪৯.৪৫ | ৪৮.৭৭ | ৫৪.২৮ |
ব্রিটিশ ও পাকিস্তান শাসক গোষ্ঠীর ধ্বংসাত্মক কর্মকান্ডে এদেশের অর্থনীতি মেরুদণ্ডহীন হয়েছিল। আর তাই ধ্বংসস্তূপ থেকে উঠে আসতে বাংলাদেশকে অনেক পিছিয়ে পড়তে হয়েছে। যার ফলে বাংলাদেশে শিল্পোন্নয়নসহ সামগ্রিক উন্নয়ন ব্যাহত হয়েছে।