সাহিত্যের রূপ ও রীতি
1. লেখক সাধারণত কোনো নির্দিষ্ট বিষয়কে অবলম্বন করে কিছু জানানোর উদ্দেশ্যে কিংবা সে বিষয়ে নিজস্ব মতামত জ্ঞাপনের উদ্দেশ্যে এ সাহিত্য রচনা করেন। সেক্ষেত্রে ভাবের অনুগামী ভাষা ব্যবহার করেন, মত প্রকাশের জন্য কখনো যুক্তি উপস্থাপন করেন, কখনো তত্ত্ব ও তথ্যের সমাবেশ ঘটান । এ রচনায় ভাব, ভাষা, যুক্তি ও বর্ণনার একটা আঁটোসাঁটো বন্ধন থাকা অতি জরুরি— তবেই তা সার্থক রচনা ।
নাটক সচরাচর কয়টি অঙ্কে বিভক্ত থাকে?
নাটককে দৃশ্যকাব্য ও শ্রব্যকাব্য বলা হয় কেন?
উদ্দীপকের বক্তব্যে 'সাহিত্যের রূপ ও রীতি' রচনার সাহিত্যের কোন শাখার বৈশিষ্ট্য বিদ্যমান? বিশ্লেষণ করো ।
“উদ্দীপকটিতে বর্ণিত দিকটিই সাহিত্যের একমাত্র দিক নয় বরং এর শাখা-প্রশাখা বিস্তৃত। মন্তব্যটির প্রতিচ্ছবি ‘সাহিত্যের রূপ ও রীতি' প্রবন্ধে দেখতে পাওয়া যায়।”— ব্যাখ্যা করো
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
বিন্দুতে সিন্ধু কবিতা হলে সিন্ধুকে বিন্দু বিন্দু করে ছড়িয়ে দেওয়া ছোটোগল্প । কবিতা অন্তর্মুখী উপন্যাস বহির্মুখী। অন্তরের ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র তাড়না যেমন ছোটোগল্পের অনুষঙ্গ তেমনি পূর্ণাঙ্গ বিন্যাস উপন্যাসের অনুষঙ্গ। অন্তর্মুখী হলেও কবিতা বহির্বিশ্বকে অস্বীকার করতে পারে না। জীবনের দর্শন কবিতা হলে জীবনের প্রকাশ নাটক । কবিতা মানচিত্র হলে ছোটোগল্প তার মানচিত্র। কল্পনার আভিজাত্যের চেয়ে বাস্তবতার চিত্রই নাটকের উপজীব্য। কবিতা অন্তরের ভাবোচ্ছ্বাস হলে ছোটোগল্প তার দ্যোতনা, নাটক তার সামগ্রিক যোজনা, প্রবন্ধ যৌক্তিক ও তথ্যনির্ভর উপস্থাপনা। কবিতা-ছোটোগল্প- নাটক-প্রবন্ধ মূলত সৃজনশীল ও মননশীল মানুষের হৃদয়ের খোরাক।
ফারজানা নবম শ্রেণির ছাত্রী। স্কুলের বাংলা শিক্ষক তাকে ‘সিডর' সম্পর্কে একটি প্রবন্ধ লিখতে বললেন। ফারজানা বিভিন্ন তথ্য সংগ্রহ করে ‘সিডর’ সম্পর্কে তার লেখাটি তৈরি করে। অধিক তথ্য সংগ্রহ করার কারণে সে তার নিজের মৌলিকতা হারিয়ে ফেলে । ফারজানা তার শিক্ষককে লেখাটি দেখালে তিনি বলেন, ‘তোমার লেখাটি যথার্থ প্রবন্ধ হয়ে ওঠেনি। এটি গদ্য হয়েছে।'