সরকারি ঋনের উদ্দেশ্য ও উৎসসমূহ
সরকারি ঋণ বলতে সরকারের কেন্দ্রীয় কর্তৃপক্ষ গৃহীত ঋণকে বোঝায়। সরকার তার ব্যয় নির্বাহের জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংক, অ-আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান প্রভৃতি খাত থেকে ঋণ গ্রহণ করে থাকে। সরকার মূলত আর্থসামাজিক অবকাঠামো নির্মাণ, ঘাটতে বাজেট পূরণ ও জরুরি অবস্থা মোকাবিলা করার উদ্দেশ্যে ঋণ গ্রহণ করে থাকে। এজন্য সরকারি ঋণ শুধুমাত্র উৎপাদনশীল খাতে ব্যবহার করা উচিত। তা না হলে দেশের অর্থনৈতিক বিপর্যয় ঘটবে।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
বাংলাদেশের ২০২০-২১ থেকে ২০২৩-২৪ অর্থবছরের বাজেট নিম্নরূপ-
বাজেট | ২০২০-২১ | ২০২১-২২ | ২০২২-২৩ | ২০২৩-২৪ |
|---|---|---|---|---|
রাজস্ব প্রাপ্তি (আয়)-(কোটি টাকায়) | ৩,৫২,৫০২ | ৩,৮৯,০০০ | ৪,৩৩,০০০ | ৫,০০,০০০ |
ব্যয় | ৫,৬৮,০০০ | ৫,৯৩,৫০১ | ৬,৬০,৫০৭ | ৭,৬১,৭৮৫ |
বর্তমান সময়ে দেশে শিক্ষা, চিকিৎসা, কর্মসংস্থান, পরিবহন ও যোগাযোগ ব্যবস্থা, আইন-শৃংখলা রক্ষা, সামাজিক নিরাপত্তা প্রভৃতি খাতে সরকারকে প্রচুর ব্যয় করতে হয়। এসব ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে দেশের অভ্যন্তর ও বাহির থেকে অনেক ঋণ করতে হয়। তবে এসব ঋণের দক্ষ ব্যবহার নিশ্চিত করতে না পারলে তা দেশের জন্য ক্ষতিকর হয়।
নিচের টেবিলটি লক্ষ করো এবং প্রশ্নগুলোর উত্তর দাও।

'B' দেশের সরকার মেট্রোরেল, উড়াল সড়ক, টানেল এরূপ প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য প্রাক্কলিত ব্যয়ের প্রায় ৭০ শতাংশ বিশ্বব্যাংক, জাইকা, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের ঋণ সহায়তা নিয়ে থাকে। অবশিষ্ট ৩০ শতাংশ ব্যয় সরকারি বন্ড, ঋণপত্র, সঞ্চয়পত্র বিক্রি, দেশীয় বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংক হতে ঋণ গ্রহণের পাশাপাশি বন্ধু রাষ্ট্র ও বিদেশি আর্থিক প্রতিষ্ঠান হতে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ সহায়তা গ্রহণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।