শিল্প সমাজকর্মের ধারণা ও প্রকৃতি
1. সাভারে একটি গার্মেন্টসে মালিক ও শ্রমিক দ্বন্দ্বের কারণে উৎপাদন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে নিম্ন শ্রেণির কর্মচারিদের ছাঁটাই করে মালিক নতুন করে কারখানা শুরু করতে চাইলে তারা প্রতিবাদ ও আন্দোলন শুরু করে। উচ্চবিত্ত কর্মকর্তাদের সমস্যা না হলেও নিম্ন শ্রেণির কর্মীদের পথে বসতে হয়। এদের সমস্যা সমাধান ও উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা করার জন্য তৃতীয় পক্ষের প্রয়োজন উপলব্ধি করে।
ক্লিনিক্যাল সমাজকর্ম কী?
প্রবীণ সমাজকর্ম বলতে কী বোঝ?
উদ্দীপকের সমস্যা সমাধানের জন্য সমাজকর্মের কোন বিশেষায়িত শাখা তৃতীয় পক্ষ হিসেবে কাজ করতে পারে? ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকে উল্লেখিত সমস্যার সমাধানে তৃতীয় পক্ষ কীভাবে ভূমিকা রাখতে পারে? মতামত দাও ।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
'ক' নামক পোশাক ফ্যাক্টরীতে শ্রমিক ধর্মঘটের কারণে কাজ বন্ধ আছে। শ্রমিকদের দাবি হচ্ছে 'কর্মপরিবেশ উন্নয়ন ও বেতন বৃদ্ধি। এ পরিস্থিতির অবসানে নিয়োগপ্রাপ্ত একজন কর্মকর্তা মালিক ও শ্রমিক পক্ষের সাথে বিস্তারিত আলোচনা করে উভয়ের মাঝে বিরোধ নিষ্পত্তি করেন। এভাবে কাজের সুষ্ঠু পরিবেশ গড়ে উঠে।
শফিক সাহেব সমাজকর্ম বিষয়ে উচ্চশিক্ষা নিয়ে বর্তমানে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে কর্মরত। তিনি উক্ত প্রতিষ্ঠানে সমাজকর্মের একটি বিশেষ শাখায় জ্ঞান ও দক্ষতা প্রয়োগ করে উৎপাদন বৃদ্ধি, শ্রমিক-মালিক সম্পর্ক উন্নয়ন ও প্রতিষ্ঠানের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি তে ভূমিকা রাখেন। তিনি সর্বদা শ্রমিকদের দক্ষতা বৃদ্ধি, সামঞ্জস্য বিধান, জীবনমান উন্নয়ন এবং শ্রম অসন্তোষ দূরীকরণ বিষয়কে প্রাধান্য দিয়ে থাকেন।

গার্মেন্টস কর্মী নাসরিন সাভারে ভাড়া বাসায় থাকে। নাসরিন ও তার স্বামী যে মজুরি পায় তা দিয়ে সংসার চালানো কষ্টসাধ্য। অন্যান্য শ্রমিকের মতো নাসরিন কর্তৃপক্ষের কাছে বেতন বৃদ্ধির দাবি জানায়। গার্মেন্টস শ্রমিকদের সংগঠনও এ দাবির সাথে একাত্মতা জানায়। নাসরিনের স্বামী হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে পরিচালিত একটি বিশেষ কর্মসূচির মাধ্যমে নাসরিনের স্বামীর চিকিৎসায় সহায়তা করা হয়। এ কর্মসূচির মাধ্যমে রোগীকে বিনামূল্যে ঔষধ-পথ্যও সরবরাহ করা হয়।