নেতৃত্বের প্রকারভেদ
হ্যাভেন টাচ লি. একটি মাঝারি আয়তনের উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠান। এর উৎপাদন ব্যবস্থাপক নিজের মতো করে চলতেন এবং কঠোর নির্দেশনার মাধ্যমে কর্মীদের দিয়ে কাজ করাতেন। এতে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত না হওয়ায় আশিক মাহমুদকে উক্ত পদে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি কর্মীদের নিয়ে এক মতবিনিময় সভায় একত্রিত হন। এতে তিনি প্রতিষ্ঠানের টার্গেট ও কর্তৃপক্ষের চাহিদা সবার সামনে তুলে ধরেন। এর প্রেক্ষিতে তিনি সকলের করণীয় নির্ধারণ করে দেন। বর্তমানে কর্মীরা লক্ষ্য অর্জনে স্বতঃস্ফূর্তভাবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
প্রতিষ্ঠানে সফলতার পিছনে নেতার ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। রাফিদ মোর্শেদ ২০২০ সালে মনে করলেন কর্মীদের কাজের নির্দেশ না দিয়ে তাদের খেয়াল-খুশিমতো চলতে দিলে ভালো হয়। এর পরের তিন বছরের উৎপাদন চিত্র নিম্নরূপ হয়। উৎপাদন রেখা বৃদ্ধির জন্য রাফিদ মোর্শেদ পুনরায় ২০২৪ সালে অধস্তনদের সাথে পরামর্শ ও তাদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেন। কর্মীদের ভালো-মন্দ, উৎসাহ আগ্রহ বিশেষ বিবেচনায় নিয়ে আসেন।

শরিফ স্টাইল লি. একটি উৎপাদনমুখী প্রতিষ্ঠান। এ প্রতিষ্ঠানে প্রায় ১,০০০ কর্মী কাজ করে। প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক মনে করেন কর্তৃপক্ষের বেশি সহানুভূতিশীলতার ফলে কর্মীরা অলস হয়ে পড়েছে এবং কর্মীরা কাজ এড়িয়ে চলায় প্রতিষ্ঠানের উৎপাদন ক্ষমতা কমে গিয়েছে। তাই তিনি সিদ্ধান্ত নেন কোনো পরিকল্পনা তৈরিতে কর্মীদের অংশ নিতে সুযোগ না দিয়ে বরং শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার মাধ্যমে কর্মীদের থেকে কাজ আদায় করবেন।