রপ্তানী মুখী শিল্প
1. 'A' কোম্পানি পূর্বে পাট ও পাটজাত পণ্য বাইরে রপ্তানি করতো। কিন্তু বর্তমানে পাটের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, মান নির্ধারণের সমস্যা ইত্যাদি কারণে অর্জিত আয় কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে বৃদ্ধি না পাওয়ায় তিনি এর পরিবর্তে তৈরি পোশাক শিল্প কারখানা স্থাপন করেন। বর্তমানে তৈরি পোশাক শিল্পে স্বল্পমূল্যে পর্যাপ্ত শ্রমিক, বিনিয়োগ প্রবণতা, কর্মপরিবেশ, আন্তর্জাতিক বাজার ইত্যাদি কারণে বৈদেশিক মুদ্রা প্রাপ্তির পরিমাণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।
আমদানি বিকল্প শিল্প বলতে কী বোঝ?
কীভাবে কুটির শিল্পকে ক্ষুদ্র শিল্প হতে পৃথক করা যায়? বুঝিয়ে লেখ?
উদ্দীপকে বর্ণিত 'অর্জিত আয়' কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে বৃদ্ধি না পাওয়ার কারণসমূহ কী কী?
উদ্দীপকে বর্ণিত পরিবর্তিত শিল্প হতে বৈদেশিক মুদ্রা আরও কীভাবে বৃদ্ধি করা যায়? তোমার মতামত ব্যক্ত করো।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
অধ্যাপক নওশাদ তার শ্রেণিকক্ষে বাংলাদেশের শিল্প সম্পর্কে পাঠদান করতে গিয়ে বলেন, পাট, চামড়া ও তৈরি পোশাক ইত্যাদি বাংলাদেশের প্রধান শিল্প। ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ, মূলধনের স্বল্পতা, কারিগরি জ্ঞানের অভাব, দক্ষ শ্রমিকের অভাব, অবকাঠামোগত দুর্বলতা ইত্যাদি বাংলাদেশের শিল্পের অনগ্রসরতার প্রধান কারণ। সম্প্রতি সরকার দেশে দ্রুত শিল্পায়নের লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব নীতি গ্রহণ করেছে।
রুমানার বাড়ি রাজশাহীতে। তারা আট ভাইবোন। রুমানা এসএসসি পাস করার পর সংসারে অভাব-অনটনের কারণে ঢাকাতে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি নেন। সেখানে ৮০% এর ওপরে নারী শ্রমিক কাজ করে। তৈরি পোশাক খাত থেকে বর্তমানে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়। তাই বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন গতিশীল।
একটি বস্ত্র উৎপাদনকারী কারখানার মেশিনারীজ প্রতিস্থাপন ব্যয় ৮০ লক্ষ টাকা এবং ৫০ জন শ্রমিক কাজ করে। আশা করা যাচ্ছে যে, আগামী সাত বছর পরে সে কারখানায় ২০ কোটি টাকার মেশিনারীজ ও ২০০ জন শ্রমিক কারখানায় নিয়োগ দিয়ে উৎপাদনকার্য চালাতে পারবে।
শিল্পটির যাত্রা ১৯৭৬ সালে। বর্তমানে "Y" দেশের মোট রপ্তানি আয়ে দুই- -তৃতীয়াংশ শিল্পটি থেকে আসে, কোটা আরোপ ঋণের অসুবিধা রয়েছে শিল্পটিতে। কিন্তু কর্মসংস্থান ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।