রপ্তানী মুখী শিল্প
1. রুমানার বাড়ি রাজশাহীতে। তারা আট ভাইবোন। রুমানা এসএসসি পাস করার পর সংসারে অভাব-অনটনের কারণে ঢাকাতে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি নেন। সেখানে ৮০% এর ওপরে নারী শ্রমিক কাজ করে। তৈরি পোশাক খাত থেকে বর্তমানে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়। তাই বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন গতিশীল।
শিল্প কী?
ফার্ম ও শিল্পের মৌলিক পার্থক্য কী?
উদ্দীপকের আলোকে তৈরি পোশাক শিল্প বাংলাদেশের অর্থনীতিতে কীরূপ ভূমিকা পালন করছে? ব্যাখ্যা করো।
উদ্দীপকের আলোকে পোশাক শিল্পের ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা বিশ্লেষণ করো।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
অধ্যাপক নওশাদ তার শ্রেণিকক্ষে বাংলাদেশের শিল্প সম্পর্কে পাঠদান করতে গিয়ে বলেন, পাট, চামড়া ও তৈরি পোশাক ইত্যাদি বাংলাদেশের প্রধান শিল্প। ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ, মূলধনের স্বল্পতা, কারিগরি জ্ঞানের অভাব, দক্ষ শ্রমিকের অভাব, অবকাঠামোগত দুর্বলতা ইত্যাদি বাংলাদেশের শিল্পের অনগ্রসরতার প্রধান কারণ। সম্প্রতি সরকার দেশে দ্রুত শিল্পায়নের লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব নীতি গ্রহণ করেছে।
একটি বস্ত্র উৎপাদনকারী কারখানার মেশিনারীজ প্রতিস্থাপন ব্যয় ৮০ লক্ষ টাকা এবং ৫০ জন শ্রমিক কাজ করে। আশা করা যাচ্ছে যে, আগামী সাত বছর পরে সে কারখানায় ২০ কোটি টাকার মেশিনারীজ ও ২০০ জন শ্রমিক কারখানায় নিয়োগ দিয়ে উৎপাদনকার্য চালাতে পারবে।
শিল্পটির যাত্রা ১৯৭৬ সালে। বর্তমানে "Y" দেশের মোট রপ্তানি আয়ে দুই- -তৃতীয়াংশ শিল্পটি থেকে আসে, কোটা আরোপ ঋণের অসুবিধা রয়েছে শিল্পটিতে। কিন্তু কর্মসংস্থান ও জীবনযাত্রার মান বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।
মি. রহিম একটি গার্মেন্টস শিল্প পরিচালনা করেন। এ শিল্পটি বাংলাদেশে খুব দ্রুত বিকশিত হচ্ছে। এ শিল্পের উৎপাদিত দ্রব্য দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশেও রপ্তানি করে। বর্তমানে এ শিল্পে ৫০ লক্ষের মতো শ্রমিক কাজ করে। মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ এ শিল্প হতে আসে। বিশ্ববাজারে বাংলাদেশের এ শিল্পের খুব সুনাম রয়েছে।