লালসালু
1.
লক্ষীপুর গ্রামের দাহির ও পারুলের আজ সাত বছরের সংসার। কিন্তু দুঃখের বিষয় হলো তাদের কোনো সন্তান নেই। এজন্য স্বামী-স্ত্রী উভয়েই চরম হতাশায় নিমজ্জিত। এমন অবস্থায় তারা শুনতে পায়, পাশের গ্রামের চেয়ারম্যানের বাড়িতে এক কামেল পির সাহেব এসেছে। তাদের মনে যেন আশার আলো জ্বলে। স্ত্রী পারুলকে সাথে নিয়ে পরদিনই দাহির পির সাহেবের সাথে সাক্ষাৎ করে। পির সাহেব পারুলকে অনেকক্ষণ নিরীক্ষণ করে জানায়, “পেটে বেড়ি পড়ে বইলাই তো স্ত্রীলোকদের সন্তান হয় না।”
‘লালসালু’ উপন্যাস কত সালে প্রকাশিত হয়?
“শস্যের চেয়ে টুপি বেশি, ধর্মের আগাছা বেশি।”- ব্যাখ্যা কর।
উদ্দীপকের দাহির ও পারুলের সাথে ‘লালসালু’ উপন্যাসের কোন কোন চরিত্রের সাদৃশ্য আছে? আলোচনা কর।
“উদ্দীপকের পির সাহেব ‘লালসালু’ উপন্যাসে বর্ণিত পির সাহেবের চেয়ে বেশি ক্ষমতাশালী নয়।” এ মন্তব্যটি বিশ্লেষণ কর।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
'কোটরাগত নিমীলিত সে চোখে একটুও কম্পন নেই।'
উক্তিটিতে ফুটে উঠেছে-
"তোমার দিলে কি ময়লা আছে” - কার দিল?
রহিম শেখ অজপাড়াগাঁয়ের একটি এবতেদায়ী মাদ্রাসার পড়ান। ধর্ম বা আধুনিক শিক্ষা ব্যবস্থার অনেক কিছুই তার জানা নাই। কিন্তু কুসংস্কার সম্পর্কে তিনি পুরোপুরি সচেতন। মানুষকে বিভ্রান্ত করার মতো কোনো ব্যাখ্যা তিনি নিজে না জেনে দেন না। মানবতা, পরিশ্রমের ফল ও মূল্যায়নই তাঁর ধর্মশিক্ষার মূল উদ্দেশ্য। স্বর্গ-নরক, ইহকাল-পরকাল সম্পর্কেও তার বক্তব্যটা অত্যন্ত সহজ-সরল। অনেকেই তাকে ইমানদার মনে না করলেও, সমাজের শিক্ষিত মানুষদের কাছে তার গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে।
'লালসালু' উপন্যাসে মাতব্বর হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে কাকে?