সমবায় সমিতির বিষয়বস্তু
1. কুয়াকাটার সামুদ্রিক মাছ ধরা জেলেরা ২০ জন মিলে আইনসৃষ্ট একটি প্রতিষ্ঠান গঠনের উদ্যোগ নেয়। এই প্রতিষ্ঠান পরিচালনার জন্য তারা একটি ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠন করে যেখানে চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান, সেক্রেটারি এবং কোষাধ্যক্ষ আছেন একজন করে এবং সাধারণ সদস্য তিনজন। প্রতিষ্ঠানটি নিবন্ধনের জন্য অন্যান্য আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করলেও ব্যবস্থাপনা কমিটি গঠনে ত্রুটি থাকার কারণে নিবন্ধক প্রতিষ্ঠানটির নিবন্ধনপত্র ইস্যু করতে বিরত থাকেন ।
বাণিজ্য কী?
'বিমা হচ্ছে চরম সদ্বিশাসের চুক্তি'- ব্যাখ্যা করো।
বর্ণিত প্রতিষ্ঠানটি কোন ধরনের ব্যবসায় সংগঠন? ব্যাখ্যা করো।
উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানটির নিবন্ধনপত্র পাওয়ার ক্ষেত্রে করণীয় কী? মতামত দাও।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
মানিকগঞ্জের রশিদ মিয়া নিজস্ব বাড়ির আঙিনায় একটি সবজি বাগান গড়ে তোলেন। তিনি স্থানীয় বাজারে উৎপাদিত সবজি বিক্রি করে ন্যায্যমূল্য পান না, আবার কখনো কখনো কিছু সবজি অবিক্রীত থেকে যায়। পরবর্তীতে তিনি গ্রামের অন্যান্য সবজি চাষিদের সহায়তায় একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। সকলে একত্রিত হওয়ার ফলে সামগ্রিক উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং সংগঠনের নিজস্ব পরিবহনে এগুলো মানিকগঞ্জ জেলা সদর-বাজারে নিয়ে বিক্রির ব্যবস্থা করে তারা যথেষ্ট লাভবান হচ্ছেন।
দেশের সীমান্ত এলাকায় বসবাসকারী ৪০টি পরিবারের কর্তা 'ব্যক্তিরা ন্যায্যমূল্যে মানসম্মত পণ্য নিয়মিত পাওয়ার লক্ষ্যে একটি সমবায় সমিতি
গঠন করে বিক্রয়কেন্দ্র স্থাপন করেন। বছর শেষে সমিতি মুনাফা প্রদান করার সময় সদস্যদের ক্রয় মূল্যানুপাত হিসাব করে। তাদের দেখাদেখি আশপাশের অনেক গ্রামেই এ ধরনের সমিতি গড়ে ওঠেছে। এখন তারা ভাবছে একই ইউনিয়নের এ সমিতিগুলো একত্রিতভাবে সংগঠিত হলে তাদের উদ্দেশ্য সফল হওয়ার সম্ভাবনা আরও বহুগুণে বেড়ে যাবে।
পাবনা জেলার ২০ জন জেলে তাদের আর্থসামাজিক কল্যাণের জন্য একটি সমবায় সমিতি গঠন করে। তারা তাদের আহরিত মৎস্য থেকে গত তিন বছরে নিম্নোক্ত মুনাফা অর্জন করে-
২০২১- ৩,০০,০০০/-
২০২২-৩,৫০,০০০/-
২০২০- ৮,০০,০০০/-
এমতবস্থায় তারা তাদের উন্নয়ন তহবিল ব্যবহার করে ২৫,০০০ টাকা মূল্যের ২ টি ফ্রিজ ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
মিহরান একটি তাঁতি সমবায় সমিতির সদস্য। অন্যদের তুলনায় সে বিত্তবান। সমিতি একত্রে উপকরণ কিনে এনে তা সমবায়দের মধ্যে বিক্রয় করে। সমবায়ের ২০ লক্ষ টাকা শেয়ার মূলধনের মধ্যে মিহরানের একার মূলধনই ৪ লক্ষ টাকা। মিহরান চায় মূলধন বাড়িয়ে সমবায়ের কর্তৃত্ব নিতে কিন্তু নির্বাচনের সময় সবারই এক ভোট হওয়ায় তার চিন্তা কোনো কাজে আসেনি। তাদের বার্ষিক মুনাফা হয়েছিল ৪ লক্ষ টাকা। তাকে দেওয়া হয়েছে ৬৪ হাজার টাকা। সে বেশি পাবে ভেবেছিল। তাই সে ক্ষুব্ধ।