ধনতান্ত্রিক অর্থ ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য
1.
পুষ্পিতা একটি সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করার জন্য X দেশে গমন করল। সেই দেশে নাগরিকদের জীবন জাঁকজমকপূর্ণ। সেখানে সম্পদের মালিকানা, উৎপাদন, বন্টন এবং ভোগের ক্ষেত্রে ব্যক্তির পূর্ণ স্বাধীনতার বিদ্যমান। সেখানে তার নিজের দেশের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাণিজ্য ইত্যাদি ক্ষেত্রে সরকারি বিনিয়োগের পাশাপাশি ব্যক্তিগত বিনিয়োগেরও সুযোগ আছে।
সম্পদ কি?
সম্পদের ব্যাক্তি মালিকানা ধনতান্ত্রিক অবস্থায় শ্রেণী বৈষম্য সৃষ্টি করে - ব্যাখ্যা করো।
X দেশে কোন ধরনের অর্থ ব্যবস্থা বিদ্যমান? ব্যাখ্যা কর।
পুষ্পিতার দেশের সাথে উক্ত দেশের অর্থ ব্যবস্থা তুলনা কর।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
একটি দেশে অবাধ প্রতিযোগিতাকে বিদ্যমান ব্যবস্থায় অর্থনৈতিক বিকাশের মুখ্য নিয়মক হিসেবে গণ্য করা হয়। সেখানে ভোক্তা স্বাধীনতা যেমন বিদ্যমান, তেমনি মুনাফা সর্বোচ্চকরণই উদ্যোক্তাদের মূল লক্ষ্য।
ইমরান ও জেক দুই বন্ধু। তারা তাদের দেশের অর্থনৈতিক ব্যবস্থা সম্পর্কে কথা বলছে। ইমরান বলল, “আমাদের দেশে উৎপাদন কর্মকাণ্ড ব্যক্তি মালিকানায় পরিচালিত হয়, বাজার প্রক্রিয়া কার্যকর এবং সম্পদের ব্যক্তি মালিকানা স্বীকৃত।” জেক বলল, আমাদের দেশে উৎপাদন কর্মকাণ্ড রাষ্ট্রীয় মালিকানায় পরিচালিত হয়, আইন করে প্রতিযোগিতা নিষিদ্ধ করা হয়েছে, কিন্তু কৃষিখাত এবং কিছু শিল্প সম্প্রতি ব্যক্তি মালিকানায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে, এতে উৎপাদন ক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধি পাচ্ছে।”
'A'-দেশ | 'B'-দেশ |
বৃহদায়তন উৎপাদন ব্যবস্থা ভোক্তার স্বাধীনতা সম্পদের ব্যক্তিগত মালিকানা | শ্রেণি শোষণ অনুপস্থিত কেন্দ্রীয় পরিকল্পনা মুদ্রাস্ফীতি অনুপস্থিত |
X দেশের নাগরিক সীমা স্ব-উদ্যোগে উৎপাদন ও ব্যবসায় পরিচালনা করছেন। সেদেশে শিক্ষা, স্বাস্থ্য খাতসহ সব খাতই ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত হয় এবং অবাধ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে দাম নির্ধারিত হয়। ব্যবসায় প্রয়োজনে তিনি অন্য একটি দেশ Y তে গিয়ে সে দেশের অর্থনীতির উল্টো চিত্র অবলোকন করলেন। Y দেশে উৎপাদন ভোগ ও বণ্টন সবই কেন্দ্রীয় পরিকল্পনার মাধ্যমে পরিচালিত হয়।