ধর্মগ্রন্থে নৈতিক শিক্ষা
1. প্রত্যয় বাবু তার সন্তানদের লেখাপড়াসহ যাবতীয় খরচ বহন করেন। তাছাড়া অতিথি সেবা, মা-বাবার ভরণ-পোষণ, সমাজের প্রতি যে কর্তব্য তিনি তা নিষ্ঠার সাথে পালন করেন। তার প্রতিবেশী সজল বাবুর ধারণা হলো, জাগতিক সকল কর্ম পরিত্যাগ করে কেবল ঈশ্বর চিন্তাতেই মগ্ন থাকা।
ঈশ্বরের চিন্তায় মগ্ন থাকলেই কর্ম-ফলাসক্তি ও ভোগাসক্তি ত্যাগ হয়।
একেশ্বরবাদ কাকে বলে?
প্রত্যাহার বলতে কী বোঝায়?
প্রত্যয় বাবু কোন আশ্রমের অন্তর্ভুক্ত- তা পাঠের আলোকে বর্ণনা করো।
“ঈশ্বর চিন্তায় মগ্ন থাকলেই ভোগাসক্তি ও কর্ম-ফলাসক্তি ত্যাগ হয়”- সজল বাবুর ধারণা শ্রীমদ্ভগবদ্গীতার আলোকে বিশ্লেষণ করো।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
প্রথমার বাবা প্রথমাকে বিয়ে দেওয়ার জন্য পাত্র খুঁজছেন। একবার 'ক' নামক এক ছেলের সঙ্গে বিয়ের কথা প্রায় শেষ পর্যায়ে এসেছিল। এমন সময় পাত্রপক্ষ প্রথমার বাবার কাছে একটি প্রাইভেট কার দাবি করে। প্রথমার বাবা একথা শোনার সাথে সাথেই বলেন- 'এমন ছোট মনের মানুষের সাথে আমার মেয়ের বিয়ে দেব না।'- যদিও একটা প্রাইভেট কার দেওয়ার মতো যথেষ্ট সামর্থ্য প্রথমার বাবার ছিল। তাছাড়া বিষয়টি তার কাছে অসম্মানজনক কাজ বলে মনে হয়।
বিমল খুবই ভালো ছাত্র ছিল। সে অসৎ সঙ্গে মিশে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। তার বাবা-মা অত্যন্ত চিন্তিত হয়ে তাকে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করিয়ে দেন। অন্যদিকে, প্রতিম অন্যের দোকানে ম্যানেজার হয়ে প্রত্যেক দিন অনেক টাকা-পয়সার লেনদেন করে। মালিক সরল বিশ্বাসে তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন বিধায় সেও বিশ্বাসের অমর্যাদা করেনি।
আদিকাব্য কোন ধর্মগ্রন্থকে বলা হয়?
সজীব সাধারণ জীবনযাপন করে। সবসময় ন্যায় পথে চলে। অন্যের কোনো কিছু না বলে নেয় না। সে লোভকে আয়তে রেখে সকল কাজ সমাধা করে। অপরদিকে মানস তাদের গ্রামে রাতের বেলায় পালাগান অনুষ্ঠান দেখছিল। পালাগানে সে দেখল ভাইয়ে ভাইয়ে ভয়বহ যুদ্ধ হচ্ছে। যারা অন্যায়ভাবে অপরের বস্তু কেড়ে নিতে চায় ঈশ্বর তাদের ক্ষমা করেন না। তাই এ যুদ্ধ ন্যায় ও সত্য প্রতিষ্ঠা করার জন্য যুদ্ধ।