ফরাসি বিপ্লবের পটভূমি
1. প্রাচীন মেসোপটেমিয়ার একজন রাজা ছিলেন হাম্বুরাব্বি। তার শাসনামলে বেশকিছু অঞ্চলের আইনের সমন্বয়ে আইন সংকলন করা হয়। যা কোড অব হাম্বুরাব্বি নামে পরিচিত। রাজা হাম্বুরাব্বি এই আইনের মাধ্যমে শাসনকার্য পরিচালনা করতেন। এই আইনের প্রয়োগ সমাজে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছিল। তার এ আইন সংকলন তাকে পৃথিবীর 'ইতিহাসে অমরত্ব দান করেছে।
টাইথ কী?
মহাদেশীয় ব্যবস্থা বলতে কী বোঝ?
উদ্দীপকে বর্ণিত রাজা হাম্বুরাব্বির সাথে ফ্রান্সের কোন সম্রাটের। কর্মকাণ্ডের সাদৃশ্য পাওয়া যায়? ব্যাখ্যা করো।
'উক্ত কর্মকাণ্ড বিশ্বের ইতিহাসে উত্ত সম্রাটকে বিশেষ স্থানে অধিষ্ঠিত করেছে'- উক্তিটির সত্যতা যাচাই করো।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
সমরকুশলী যোদ্ধা হিসেবে মি. 'Y' ছিলেন বিশ্বপরিচিত। অভ্যন্তরীণ সংস্কারমুখী কার্যক্রম দ্বারা তিনি দেশকে শক্তিশালী ভিত প্রদান করার পাশাপাশি যুদ্ধনীতি দ্বারা রাষ্ট্রের ভৌগোলিক সীমানা বৃদ্ধি করেন। তবে তার শেষ জীবন সুখের ছিল না। বিদেশি শত্রুর হাতে পরাজিত হয়ে দ্বীপে নির্বাসিত অবস্থায় মৃত্যুবরণ করেন।
মিঃ 'ক' একজন পরাক্রমশালী সেনা নায়ক ছিলেন। একটি বিপ্লব তরঙ্গের চূড়ায় আরোহন করে তিনি সাফল্যর ফ্রান্সের সিংহাসনে অসীন হন। পরবর্তীতে রাজ্য বিস্তার, শাসন সংস্কার, সামরিক বিজয় প্রভৃতি ক্ষেত্রে অসামান্য সাফল্যর পরিচয় দেন। কিন্তু তাঁর কিছু অদূরদর্শী নীতি ও ব্যর্থ অভিযানের পর থেকে তার ভাগ্য রবি ধীরে ধীরে অস্তমিত হতে শুরু করে।
বায়ান্নর ভাষা আন্দোলনের প্রেক্ষাপট সৃষ্টিতে ড. মুহম্মদ শহীদুল্লাহ, ড. এনামুল হক, অধ্যাপক মোতাহার হোসেন, আবুল মনসুর আহমদ প্রমুখ বিশিষ্ট জনের একটা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা ছিল। তারা আন্দোলনের সরাসরি জড়িত ছিলেন না। তবুও ভাষা আন্দোলনের মনস্তাত্বিক পটভূমি সৃষ্টিতে তাদের অবদান অস্বীকার করা যায়না।
উর্নিশ শতকের শেষভাগে ইউরোপের একটি দেশে শত শত বছরের নির্যাতিত-শোষিত শ্রেণি শাসক দলের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে। অকর্মণ্য ও বিলাসপ্রিয় শাসকদল বঞ্চিত শ্রেণির ক্ষোভের মুখে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হয়। ক্ষমতার পালাবদলে শিক্ষিত ও মধ্যবিত্ত শ্রেণি শাসনক্ষমতা লাভ করে। ফলশ্রুতিতে শাসনব্যবস্থায় গুণগত পরিবর্তন সাধিত হয়।