কৃষি খাতে পরিবর্তনের ধারা
1. রুমা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী। সে একটি সেমিনার থেকে জানতে পারে বাংলাদেশ কৃষিপ্রধান দেশ হলেও খাদ্য ঘাটতির দেশ। খাদ্যের জন্য প্রতিবছর প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয়। সরকার কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে খাদ্য সমস্যার সমাধান করার চেষ্টা করছে। এ লক্ষ্যে সার, কীটনাশক ও অন্যান্য উপকরণে ভর্তুকি দিচ্ছে। আশার কথা হলো বাংলাদেশে কৃষির উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং খাদ্য ঘাটতি কমছে।
উফশী প্রযুক্তি কী?
বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা অর্জনের সম্ভবনা কতটুকু ?
বাংলাদেশে খাদ্য ঘাটতি দূরীকরণে সরকারের পদক্ষেপসমূহ উদ্দীপকের আলোকে ব্যাখ্যা করো।
খাদ্যে দ্রুত স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের জন্য সরকারের কী ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত? উদ্দীপকের ভিত্তিতে যুক্তিসহ বিশ্লেষণ করো।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
বাংলাদেশ বর্তমানে মধ্যম আয়ের দেশ। বিভিন্ন খাতের মতো কৃষির অবদান যথেষ্ট। আগে অধিকাংশ জমি ছিল এক ফসলি। এখন কোনো জমি পতিত নেই। প্রতিটি জমিতে বছরে তিন/চার ফসলও উৎপন্ন হয়। আলুর সাথে মিষ্টিকুমড়া ও ভুট্টা হয়। ফলে কৃষকের আয় বাড়ছে, নতুন কৃষি যন্ত্রপাতির ব্যবহার বাড়ছে, কৃষকের চাহিদা পূরণ হচ্ছে। সরকার ও কৃষকের জন্য আর্থিক প্রণোদনাসহ বীজ, কীটনাশক সরবরাহ করে কৃষকদের সহায়তা করছে।
রমিজ মিয়া একজন সাধারণ অশিক্ষিত কৃষক। তিনি তার নিজের জমি সনাতন পদ্ধতিতে চাষ করেন। এতে বেশি ফসল পান না। টেলিভিশনে তিনি কৃষির ওপর একটি প্রতিবেদন দেখে জানতে পারেন বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধির জন্য গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে। তাদের উদ্ভাবিত কৃষি প্রযুক্তি ব্যবহার করে কৃষি উৎপাদনশীলতা বহুগুণ বেড়েছে। এতে খাদ্য ঘাটতি সমস্যার সমাধান হয়েছে।
শিমুল সিলেট থেকে রংপুরে দাদু'র বাড়িতে বেড়াতে যায়। সে দেখে গত বছর যে সমস্ত জমিতে তামাক আবাদ হয়েছিল, সেখানকার অনেক জমিতে এবার ধান ও ভুট্টা আবাদ হয়েছে। বিষয়টি তাকে খুব আনন্দ দেয়।
বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (GDP)-এ অর্থনৈতিক খাতসমূহের অবদানের কাঠামোগত পরিবর্তন ও ধারা নিম্নরূপ:-
