বাণিজ্য
সরকারি চাকরি থেকে অবসর গ্রহণ করে জনাব মাহবুব ব্যবসায় শুরু করেন। তিনি মৌসুমে ফরিদপুর হতে ধান সংগ্রহ করে সিলেটে সংরক্ষণ করেন। পরবর্তীতে চাল তৈরি করে সারা বছর বাজারে বিক্রি করেন। সাফল্যের ধারাবাহিকতায় তার কর্মচারীর সংখ্যা ২০ থেকে বেড়ে ১০০ জন হয়েছে। সম্প্রতি তিনি চাল রপ্তানি শুরু করেছেন।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
মি. কায়েশের 'TQ' কোম্পানি ভিয়েতনাম থেকে বিভিন্ন ধরনের চাল আমদানি করে বাছাইয়ের পর গ্রেডিং করে। এরপর প্যাকেটজাত করে বিভিন্ন মানের চাল মধ্যপ্রাচ্য্যের বাজারে রপ্তানি করে। মি. কায়েশ টিভি চ্যানেল ও বিলবোর্ডের মাধ্যমে তার কোম্পানির প্যাকেটজাত চালের তথ্য মধ্যপ্রাচ্যে জনসাধারণের নিকট তুলে ধরেন। এতে তার কোম্পানির প্যাকেটজাত চালের চাহিদা বৃদ্ধি পায়। 'TQ' কোম্পানির মুনাফা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।
মি. পারভেজ একজন ব্যবসায়ী। তিনি চুয়াডাঙ্গার স্থানীয় কৃষকদের কাছ থেকে আলু ক্রয় করে নিজস্ব ট্রাকে ঢাকায় সরবরাহ করেন। এতে তার ভালো হয়। এছাড়াও তিনি শীতকালে কম দামে আলু ক্রয় করে সংরক্ষণ করেন। এভাবে তিনি তার ব্যবসায়ে সফলতা লাভ করে চলেছেন।
মি. রায়ান ঢাকায় লালবাগের একজন বড় ফল ব্যবসায়ী। তিনি নবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর বিভিন্ন আমবাগান হতে আম সংগ্রহ করেন। অতঃপর তিনি আমের আকার ও গুনাগুন ভেদে কয়েকটি শ্রেণীতে আম ভাগ করেন। তিনি ট্রাকে করে আম ঢাকায় নিয়ে আসেন। তিনি আম সংরক্ষণের জন্য পৃথক পৃথক ব্যবস্থা গড়ে তোলেন। তিনি পৃথক আম দেশের বিভিন্ন বাজারে বিক্রয় করে ভাল মুনাফা অর্জন করেন। সুনাম অর্জন করায় খুচরা ফল ব্যবসায়ীরা তার নিকট হতে ফল কিনতে আগ্রহী হয়ে ওঠেন।
জনাব ইমরান আমের মৌসুমে রাজশাহী থেকে আম কিনে ঢাকায় বিক্রি করেন। গতানুগতিক ব্যবসায়ীগণ ফরমালিনের কথা চিন্তা না করে রাজশাহীর বাজার থেকে আম কিনে ঢাকায় বিক্রি করেন। কিন্তু জনাব ইমরান সরাসরি রাজশাহীর আমের বাগান থেকে ফরমালিন মুক্ত আম কেনেন। ফরমালিনমুক্ত আম পচে লাভের পরিবর্তে ক্ষতিও হতে পারে, তা জেনেও জনাব ইমরান এই কাজ করেন। কয়েক বছরের মধ্যে তিনি একজন বড় ব্যবসায়ী হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন।