সমবায় সমিতির বিষয়বস্তু
1. ২০২০ সালের নিমসার এলাকার সবজি চাষিরা তাদের উৎপাদিত সবজি ন্যায্যমূল্য না পেয়ে একটি সমিতি গঠনের উদ্যোগ নেন। এতে মধ্যস্থব্যবসায়ীদের দৌরাত্ম্য হ্রাস পায়। বর্তমানে তাদের এ সমিতি আর্থিকভাবে বেশ স্বাবলম্বী। সম্প্রতি তারা চিন্তা করছে সমিতির সদস্যদের বিভিন্ন প্রয়োজনে ঋণদান থেকে শুরু করে কুমিল্লা শহরে একটি আবাসিক ভবন স্থাপন করার।
সমবায়ের মূল উদ্দেশ্যে কী?
সমবায়ের সাম্যের নীতিটি ব্যাখ্যা করো।
২০২০ সালে গঠিত সমিতির উদ্দেশ্যগত দিক কোন ধরনের? ব্যাখ্যা করো।
তোমার কি মনে হয় বর্তমান সমিতিটি তাদের সাম্প্রতিক কার্যক্রমে এগিয়ে যেতে পারবে? মতামত বিশ্লেষণ করো।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
পাবনা জেলার ২০ জন জেলে তাদের আর্থসামাজিক কল্যাণের জন্য একটি সমবায় সমিতি গঠন করে। তারা তাদের আহরিত মৎস্য থেকে গত তিন বছরে নিম্নোক্ত মুনাফা অর্জন করে-
২০২১- ৩,০০,০০০/-
২০২২-৩,৫০,০০০/-
২০২০- ৮,০০,০০০/-
এমতবস্থায় তারা তাদের উন্নয়ন তহবিল ব্যবহার করে ২৫,০০০ টাকা মূল্যের ২ টি ফ্রিজ ক্রয়ের সিদ্ধান্ত নেয়।
মিহরান একটি তাঁতি সমবায় সমিতির সদস্য। অন্যদের তুলনায় সে বিত্তবান। সমিতি একত্রে উপকরণ কিনে এনে তা সমবায়দের মধ্যে বিক্রয় করে। সমবায়ের ২০ লক্ষ টাকা শেয়ার মূলধনের মধ্যে মিহরানের একার মূলধনই ৪ লক্ষ টাকা। মিহরান চায় মূলধন বাড়িয়ে সমবায়ের কর্তৃত্ব নিতে কিন্তু নির্বাচনের সময় সবারই এক ভোট হওয়ায় তার চিন্তা কোনো কাজে আসেনি। তাদের বার্ষিক মুনাফা হয়েছিল ৪ লক্ষ টাকা। তাকে দেওয়া হয়েছে ৬৪ হাজার টাকা। সে বেশি পাবে ভেবেছিল। তাই সে ক্ষুব্ধ।
মি. তাহমিদ “সততা" নামে একটি সমবায় সমিতির সদস্য। অন্যদের তুলনায় সে বিত্তবান। উক্ত সমবায় সমিতির বিশ লক্ষ টাকা শেয়ার মূলধনের মধ্যে মি. তাহমিদের একার মূলধনের পরিমাণ চার লক্ষ টাকা। মি. তাহমিদ সমিতিতে শেয়ার মূলধনের পরিমাণ বাড়িয়ে সমবায়ের কর্তৃত্ব লাভ করতে চায়। কিন্তু আইনি কারণে তা পারেনি। সমবায়টি বার্ষিক মুনাফা হয়েছিল পাঁচ লক্ষ টাকা। মি. তাহমিদকে দেওয়া হয়েছিল ৭০,৫০০ টাকা। সে আরও বেশি পাবে ভেবেছিল। তাই সে ক্ষুব্ধ।
জনাব হান্নান নিজস্ব বাড়ির আঙিনায় একটি সবজি বাগান গড়ে তোলেন। স্থানীয় বাজারে উৎপাদিত সবজি বিক্রয় করে ন্যায্যমূল্য পান না। আবার কখনো কখনো কিছু সবজি অবিক্রীত থেকে যায়। তাই তিনি গ্রামের অন্যান্য সবজি চাষিদের সঙ্গে নিয়ে একটি সংগঠন গড়ে তোলেন। সকলে একত্রিত হওয়ার ফলে সামগ্রিক উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং সংগঠনের নিজস্ব পরিবহনে সবজিগুলো জেলা সদরের বাজারে নিয়ে বিক্রয় করে যথেষ্ট লাভবান হচ্ছেন। এছাড়া ক্রেতারাও অপেক্ষাকৃত কম মূল্যে তাজা সবজি ক্রয় করতে সক্ষম হচ্ছেন।