রপ্তানী মুখী শিল্প
1.
বাংলাদেশ প্রতিবছর বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে বাণিজ্য সম্পাদন করে। নিম্নে বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের একটি তথ্য প্রদান করা হলো-

অভ্যন্তরীণ বাণিজ্য কাকে বলে?
উদ্বৃত্ত পণ্য আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ভিত্তি- ব্যাখ্যা করো।
সূচি অনুযায়ী বাংলাদেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের রপ্তানি আয়ের স্তম্ভচিত্র অঙ্কন করো।
উদ্দীপকের আলোকে বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের গতিধারা ব্যাখ্যা করো।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
অধ্যাপক নওশাদ তার শ্রেণিকক্ষে বাংলাদেশের শিল্প সম্পর্কে পাঠদান করতে গিয়ে বলেন, পাট, চামড়া ও তৈরি পোশাক ইত্যাদি বাংলাদেশের প্রধান শিল্প। ঔপনিবেশিক শাসন ও শোষণ, মূলধনের স্বল্পতা, কারিগরি জ্ঞানের অভাব, দক্ষ শ্রমিকের অভাব, অবকাঠামোগত দুর্বলতা ইত্যাদি বাংলাদেশের শিল্পের অনগ্রসরতার প্রধান কারণ। সম্প্রতি সরকার দেশে দ্রুত শিল্পায়নের লক্ষ্যে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব নীতি গ্রহণ করেছে।
রুমানার বাড়ি রাজশাহীতে। তারা আট ভাইবোন। রুমানা এসএসসি পাস করার পর সংসারে অভাব-অনটনের কারণে ঢাকাতে একটি পোশাক কারখানায় চাকরি নেন। সেখানে ৮০% এর ওপরে নারী শ্রমিক কাজ করে। তৈরি পোশাক খাত থেকে বর্তমানে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা আয় হয়। তাই বাংলাদেশের অর্থনীতি এখন গতিশীল।
মি. 'X' কোরবানির ঈদে ঢাকা থেকে তার দাদার বাড়িতে এসেছে। তার দাদা একটি বড় গরু কোরবানি দিল। ঈদের দিন তার আনন্দ ধরে না। সে দেখে এক জায়গায় অনেক গরু-ছাগল কোরবানি হলো। কোরবানির পর চামড়ার বিশাল মজুদ গড়ে উঠল। অথচ দেশে চামড়া প্রক্রিয়াজাতকরণের তেমন ব্যবস্থা নেই, দক্ষ শ্রমিক নেই, উপযুক্ত রাসায়নিক দ্রব্য নেই, শিল্পপতি পর্যাপ্ত ঋণ পায় না। তাই চামড়া শিল্পের বিকাশ কম এবং স্বল্পমূল্যে চামড়াসমূহ বিক্রি হচ্ছে। অবশ্য সরকার চামড়া শিল্পের বিকাশে প্রশিক্ষণ, বাজার সম্প্রসারণ, শিল্প নগরী স্থাপনসহ নানাবিধ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। ফলে আস্তে আস্তে চামড়া শিল্পের উন্নয়ন ঘটছে।
'A' কোম্পানি পূর্বে পাট ও পাটজাত পণ্য বাইরে রপ্তানি করতো। কিন্তু বর্তমানে পাটের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি, মান নির্ধারণের সমস্যা ইত্যাদি কারণে অর্জিত আয় কাঙ্ক্ষিত পর্যায়ে বৃদ্ধি না পাওয়ায় তিনি এর পরিবর্তে তৈরি পোশাক শিল্প কারখানা স্থাপন করেন। বর্তমানে তৈরি পোশাক শিল্পে স্বল্পমূল্যে পর্যাপ্ত শ্রমিক, বিনিয়োগ প্রবণতা, কর্মপরিবেশ, আন্তর্জাতিক বাজার ইত্যাদি কারণে বৈদেশিক মুদ্রা প্রাপ্তির পরিমাণ ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে।