পৌরনীতির পরিধি ও বিষয়বস্তু
1. 'A' রাষ্ট্রের সরকার ই-গভর্নেন্স চালুর পাশাপাশি প্রশাসনের কর্মকর্তাদের জন্য প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা গ্রহণ করে। জনগণের অধিকার নিশ্চিত করার জন্য তথ্য অধিকার আইন প্রণয়ন করে। এছাড়া ক্ষমতা নিম্নতর পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য বিদ্যমান আইন সংশোধন করে। অন্যদিকে 'B' রাষ্ট্রে সরকার প্রশাসন ব্যবস্থার কেন্দ্রীকরণ করে। এছাড়া বিচার বিভাগ এবং আইনসভার ক্ষমতা হ্রাস করে।
জবাবদিহিতা কী?
একসেস টু ইনফরমেশন (a2i) প্রোগ্রাম বলতে কী বোঝ?
'A' রাষ্ট্রে সরকারের গৃহীত উদ্যোগসমূহ সফল হলে কী নিশ্চিত হবে? ব্যাখ্যা করো।
'B' রাষ্ট্রে সরকার কর্তৃক গৃহীত সিদ্ধান্তসমূহ কি সঠিক? মূল্যায়ন করো।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে মানবিক বিভাগে পঠিত দুটি বিষয়। একটি বিষয়ে পড়ানো হয় মানব সমাজের উৎপত্তি, ক্রমঃবিকাশ, সামাজিক মূল্যবোধ, সংঘ, সম্প্রদায়, প্রতিষ্ঠান ইত্যাদি যা মানুষের সামাজিক আচরণের বিজ্ঞানভিত্তিক আলোচনা করে। অপরটিতে পড়ানো হয় কীভাবে মানুষ সংগঠিত হয়ে সামাজিক জীবন গঠন করে এবং উক্ত সমাজের অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ নিয়ে আলোচনা করে ।
ইমদাদুল হক একজন শিক্ষক। তিনি তার ছাত্রদের অধিকার ও কর্তব্য সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারণা নিতে একটি নির্দিষ্ট বিষয়ে জ্ঞানার্জনের উপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি বলেন, প্রত্যেককেই নিজ নিজ রাষ্ট্রের উন্নয়নের পাশাপাশি বিশ্বসভ্যতার উন্নয়নে কাজ করতে হবে।
জনাব আসাদ তাঁর এলাকায় ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত এবং দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা একটি প্রতিষ্ঠান পুনরায় চালু করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন। এ ব্যাপারে তাকে সহযোগিতা করার জন্য রফিক এবং সেলিম নামে দুইজনকে মনোনীত করেন। রফিক সাহেবের উপর প্রতিষ্ঠানটির পূর্বের অবস্থা, কর্মীদের সুযোগ-সুবিধা, অসুবিধা, বন্ধ হওয়ার কারণ ইত্যাদির দালিলিক প্রমাণ সংগ্রহের দায়িত্ব দেওয়া হয়। সেলিম সাহেবের উপর প্রতিষ্ঠানটির আয়-ব্যয়ের হিসাব এবং অল্প অর্থে বেশি চাহিদা পূরণ করে কীভাবে কর্মীদের কল্যাণ সাধন করা যায় তা খতিয়ে দেখার দায়িত্ব দেওয়া হয়। জনাব আসাদ প্রতিষ্ঠানটি চালু করার জন্য সমাজের বিত্তবান ব্যক্তিবর্গ এবং রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ পর্যায়ে যোগাযোগ করার দায়িত্ব নিজ হাতে রাখেন।
