ধর্মগ্রন্থে নৈতিক শিক্ষা
1. মৃণাল বাবু অফিসে যাওয়ার পথে দেখতে পান, একটি দোকানে আগুন লেগেছে। তিনি নিজের জীবনের চিন্তা না করে আগুনে আটকা পড়া কর্মচারীদের উদ্ধার করেন। অন্যদিকে বিথি কালীপূজা উপলক্ষ্যে কেনাকাটা করার জন্য বাজারে যায়। রাস্তায় জীর্ণদেহী এক ভিক্ষুক ভিক্ষা চাইলে সে তার জমানো টাকা ভিক্ষুককে দান করে।
মানুষ কাকে বলে?
মানুষ ধর্মকে কেন শ্রদ্ধা করে?
মৃণাল বাবুর 'সৎসাহস' তোমার পঠিত বিষয়ের আলোকে বর্ণনা করো।
বিথি কি প্রকৃতপক্ষে একজন মানব প্রেমিক? তোমার উত্তরের সপক্ষে যুক্তি দাও।
Ai এর মাধ্যমে
১০ লক্ষ+ প্রশ্ন ডাটাবেজ
প্র্যাকটিস এর মাধ্যমে নিজেকে তৈরি করে ফেলো
উত্তর দিবে তোমার বই থেকে ও তোমার মত করে।
সারা দেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নিজের অবস্থান যাচাই
ব্রজমোহন বাবু সুখে-দুঃখে নিরুদ্বেগ থাকেন। আনন্দে অতি উদ্বেল হন না, দুঃখে ভেঙে পড়েন না। দান ও দয়া তার দু'টি প্রধান নৈতিক গুণ। সহকর্মী অনীল বাবু সর্বদা বিষণ্ণ থাকেন। তিনি অল্পতেই রেগে যান। কাঙ্ক্ষিত বস্তু অর্জনের জন্য অনেক সময় লোভের বশবর্তী হয়ে অসৎ পথ অবলম্বন করেন। পরিণামে তার অধঃপতন হয়েছে।
প্রথমার বাবা প্রথমাকে বিয়ে দেওয়ার জন্য পাত্র খুঁজছেন। একবার 'ক' নামক এক ছেলের সঙ্গে বিয়ের কথা প্রায় শেষ পর্যায়ে এসেছিল। এমন সময় পাত্রপক্ষ প্রথমার বাবার কাছে একটি প্রাইভেট কার দাবি করে। প্রথমার বাবা একথা শোনার সাথে সাথেই বলেন- 'এমন ছোট মনের মানুষের সাথে আমার মেয়ের বিয়ে দেব না।'- যদিও একটা প্রাইভেট কার দেওয়ার মতো যথেষ্ট সামর্থ্য প্রথমার বাবার ছিল। তাছাড়া বিষয়টি তার কাছে অসম্মানজনক কাজ বলে মনে হয়।
প্রত্যয় বাবু তার সন্তানদের লেখাপড়াসহ যাবতীয় খরচ বহন করেন। তাছাড়া অতিথি সেবা, মা-বাবার ভরণ-পোষণ, সমাজের প্রতি যে কর্তব্য তিনি তা নিষ্ঠার সাথে পালন করেন। তার প্রতিবেশী সজল বাবুর ধারণা হলো, জাগতিক সকল কর্ম পরিত্যাগ করে কেবল ঈশ্বর চিন্তাতেই মগ্ন থাকা।
ঈশ্বরের চিন্তায় মগ্ন থাকলেই কর্ম-ফলাসক্তি ও ভোগাসক্তি ত্যাগ হয়।
বিমল খুবই ভালো ছাত্র ছিল। সে অসৎ সঙ্গে মিশে মাদকাসক্ত হয়ে পড়ে। তার বাবা-মা অত্যন্ত চিন্তিত হয়ে তাকে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রে ভর্তি করিয়ে দেন। অন্যদিকে, প্রতিম অন্যের দোকানে ম্যানেজার হয়ে প্রত্যেক দিন অনেক টাকা-পয়সার লেনদেন করে। মালিক সরল বিশ্বাসে তাকে দায়িত্ব দিয়েছেন বিধায় সেও বিশ্বাসের অমর্যাদা করেনি।