
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের সর্বোচ্চ শিক্ষাঙ্গন হিসেবে শুধু একাডেমিক উৎকর্ষই নয়, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক ক্ষেত্রেও অসাধারণ ভূমিকা রাখে। এই প্রতিষ্ঠানে পড়াশোনার সুযোগ পাওয়া মানে দেশের সেরা মেধাবীদের সঙ্গে একই আসরে বসা। প্রতিবছর প্রায় এক লাখেরও বেশি শিক্ষার্থী ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিলেও আসন থাকে মাত্র কয়েক হাজার। অর্থাৎ, প্রতিযোগিতা অনেক বেশি এবং সুযোগ সীমিত। তাছাড়া ঢাবির ডিগ্রি চাকরির বাজারে আলাদা গুরুত্ব বহন করে, তাই সবাই সর্বোচ্চ চেষ্টা করে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে। এ কারণেই DU ভর্তি পরীক্ষা দেশের সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার মধ্যে একটি।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (DU) ভর্তি পরীক্ষা প্রতিবারই দেশে সবচেয়ে প্রতিযোগিতামূলকগুলোর একটি- কারণ আসনসংখ্যা সীমিত, আবেদন ও পরীক্ষায় উপস্থিত লক্ষাধিক, আর DU এর ডিগ্রির ক্ষেত্রে কর্মক্ষেত্রে বাড়তি মূল্য ও সুবিধাদি তো থাকেই। উদাহরণ হিসেবে যদি বলি, গত ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে শুধু কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান (খ) ইউনিটেই মাত্র ২,৯৩৪ আসনের বিপরীতে ১,২৫,৪১৮টি আবেদন জমা পড়ে. অর্থাৎ প্রতি আসনের বিপরীতে লড়াই করে ৪৩ জন; একই সেশনে এই ইউনিটে পরীক্ষায় অংশ নেয় ১,১৪,৯০৪ জন, পাস করেন ১১,৩১০ জন (পাস রেট ~৯.৮৫%)। বিজ্ঞান বিভাগে (ক ইউনিট) ২০২৪–২৫ সেশনে পাস রেট ছিল মাত্র ৫.৯৩% - মানে প্রতিযোগিতা যে কত ঘন, তা বোঝাই যায়। এই পরিসংখ্যানগুলো ঢাবি তে ভর্তির বাস্তবতা দেখায়: ধারনা দেয় ঢাবির high selection rate ও ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে।
বর্তমানে DU এর স্নাতক ভর্তিতে ৪টি ইউনিট
বিজ্ঞান (ক)
কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান (খ)
ব্যবসায় শিক্ষা (গ)
চারুকলা (চ)- এ পরীক্ষা হয়
‘ঘ’ ইউনিট (জেনারেল স্টাডিজ) ২০২১–২২ থেকেই বাতিল। অধিকাংশ ইউনিটে পরীক্ষার ফরম্যাট: MCQ ৬০ নম্বর (৪৫ মিনিট) + লিখিত ৪০ নম্বর (৪৫ মিনিট) = মোট ১০০ নম্বর; এর সঙ্গে SSC/HSC–এর ফল থেকে ২০ নম্বর যোগ হয়ে সর্বমোট ১২০–তে মেধাতালিকা তৈরি হয়। চারুকলায় আলাদা- MCQ ৪০ (৩০ মিনিট) + অঙ্কন ৬০ (৬০ মিনিট)।
সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঢাকাসহ ৮টি বিভাগীয় শহরে পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থাও চালু আছে। (২০২৪–২৫ সেশনের অফিশিয়াল প্রেস নোটিস, পরের সেশন গুলোতেও সাধারণত একই কাঠামো অনুসরণ করে, তবে নতুন সার্কুলারে পরিবর্তন এলে সেটিই চূড়ান্ত হবে)।
নোট: আগে ‘ঘ’ ইউনিট আলাদা ছিল; ২০২১–২২ শিক্ষাবর্ষ থেকে তা আর নেই - এই সিদ্ধান্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনারেল অ্যাডমিশন কমিটি থেকে নেয়া হয়। |
ক (বিজ্ঞান) ইউনিট: পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন, গণিত/জীববিজ্ঞান – কেন্দ্রিক প্রশ্ন; পরীক্ষার সিলেবাস মূলত HSC – এর পাঠ্যসূচি (সাম্প্রতিক সেশন) থাকে। ২০২৪–২৫ সেশন এ A ইউনিটে ৬০ নম্বর এ MCQ (৪৫ মিনিট) + ৪০ নম্বর লিখিত (৪৫ মিনিট) নেওয়া হয়েছিল ; এই ধারা ২০২৬–এও অব্যাহত থাকার সম্ভাবনা প্রবল (চূড়ান্ত সার্কুলার পেলেই এটা শিওর হওয়া যাবে। বিস্তারিত জানতে চর্চার ফেসবুক পেজ নিয়মিত ফলো করবে)।
খ (কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান) ইউনিট: বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান, সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ইউনিটের বেসিক ধারণা; ফরম্যাট নিয়ে সেপারেট ব্লগ এ বিস্তারিত লেখা আছে -MCQ ৬০ + লিখিত ৪০ + GPA–ভিত্তিক ২০।
গ (ব্যবসায় শিক্ষা) ইউনিট: অ্যাকাউন্টিং, ব্যবসায় সংগঠন ও ব্যবস্থাপনা, ফিন্যান্স/মার্কেটিং, সঙ্গে ইংরেজি/গণিত–ভিত্তিক কনসেপ্ট; ফরম্যাট একই।
চ (চারুকলা) ইউনিট: ৪০ নম্বর সাধারণ জ্ঞান (MCQ) + ৬০ নম্বর অঙ্কন (ড্রয়িং/স্টুডিও স্কিল) - সময় ও নম্বর বণ্টন আলাদা (৩০+৬০ মিনিট)।
IBA (BBA) : এই বিভাগে সম্পূর্ণ আলাদাভাবে আলাদা ফরম্যাটে পরীক্ষা হয়ে থাকে। IBA এর টেস্টটি aptitude–style; ইংরেজি, গণিত, অ্যানালিটিক্যাল এবিলিটি এর MCQ (~৯০ মিনিট) + লিখিত (৩০ মিনিট), পরে ভাইভা। বরাবরই আলাদা সার্কুলার আসে; কাঠামো নিয়ে সংবাদ- রিপোর্ট/গাইডে এই রূপরেখাই দেখা যায় (চূড়ান্ত ধরণ IBA–র নোটিসেই দেখবে)।
DU–এর অফিশিয়াল বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী (চারুকলা বাদে) MCQ ৬০ + লিখিত ৪০ এটাই মূল নম্বর ডিস্ট্রিবিউশন; মোট ১০০ এর সঙ্গে SSC/HSC–ভিত্তিক ২০ যোগ হয়ে ১২০–তে মেধাতালিকা। চারুকলায় MCQ ৪০ + অঙ্কন ৬০।
মজার বিষয় জানো? বোর্ড পরীক্ষার রেজাল্টের ২০ নম্বর যুক্ত করার সিদ্ধান্ত ২০২০–এর বৈঠকে নীতিগতভাবে গৃহীত হয়ে সাম্প্রতিক সেশনগুলোতে বজায় আছে; ২০২৪–২৫ এর ঢাবি ভর্তি নোটিসেও একই ফরম্যাট রাখা হয়েছে।
ঢাবি ভর্তি এর সময়সূচি টেবিল দিয়ে দিচ্ছি,
বিষয় | তারিখ / সময় |
|---|---|
আবেদন শুরু | ২৯ অক্টোবর বেলা ১২ টা |
আবেদন শেষ | ১৬ নভেম্বর রাত ১১ঃ৫৯ |
আবেদন ফি | ১,০৫০ টাকা |
আবেদন ফি জমাদানের সময়সীমা | আবেদন ফি জমা দেওয়ার শেষ সময় পর্যন্ত |
ভর্তি পরীক্ষা | ১। কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট (১৩ ডিসেম্বর) ২। বিজ্ঞান ইউনিট (২০ ডিসেম্বর) ৩। ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট (০৬ ডিসেম্বর) ৪। চারুকলা ইউনিট (২৯ নভেম্বর) ৫। আইবিএ ইউনিট (২৮ নভেম্বর) সময় সকল ইউনিট: সকাল ১১টা বেলা সাড়ে ১২টা আইবিএ ইউনিট: সকাল ১০টা বেলা ১২টা |
প্রবেশপত্র ডাউনলোড শুরু | ২৪ নভেম্বর ২০২৫ |
অফিশিয়াল ওয়েবসাইট | |
আবেদন লিংক |
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় নোটিসে সর্বমোট ১২০ এর ভিত্তিতে মেধাতালিকা তৈরির কথা স্পষ্ট। ইউনিট ভিত্তিক প্রশ্নপত্র–নির্দেশনায় সাধারণত প্রতিটি অংশে (MCQ ও লিখিত) ন্যূনতম গ্রহণযোগ্য নম্বর পাওয়ার কথা থাকে অর্থাৎ একটি অংশে খুব কম নম্বর পেলেই মোট নম্বর ভালো হলেও ঝুঁকি তৈরি হয়। (ঢাবির নির্দেশনায় বলা আছে “Candidates are required to score a minimum acceptable mark in each part” অর্থাৎ কোনো অংশে মিনিমাম পাশ নম্বর না ওঠাতে পারলে তাকে অকৃতকার্য হিসেবে ধরা হয়). MCQ – তে ভুলের জন্য নেগেটিভ মার্কিং—এটি কোন সেশনে/ইউনিটে প্রযোজ্য হবে তা প্রতি বছরের নির্দেশিকাতেই চূড়ান্তভাবে বলা হয়; তাই চলতি সেশনের সার্কুলারের ‘পরীক্ষা সংক্রান্ত নিয়মাবলী’ অংশ দেখে নিবে। তবে সাধারণত প্রতি MCQ এ ০.২৫ নম্বর করে কাটা হয়ে থাকে।
HSC–শেষের ৭–১২ সপ্তাহকে তিন ধাপে ভাগ করবে
(১) কোর- রিভিশন: NCTB এর বই থেকে অধ্যায়–ভিত্তিক নোট/ফর্মুলা/ডেফিনিশন পুনরাবৃত্তি;
(২) প্র্যাকটিস- ড্রিল: চর্চা থেকে বিগত বছরের প্রশ্ন, ইউনিট-স্পেসিফিক মডেল টেস্ট;
(৩) ফুল-লেংথ সিমুলেশন: চর্চা অ্যাপ এ ৯০ মিনিট (MCQ ৪৫ + লিখিত ৪৫) টেস্ট সিমুলেশন, পরে ভুলের error log, মানে যে যে ভুল করেছো তার একটা লিস্ট করবে খাতায়। (আরো বিস্তারিত জানতে ঢাবি ইউনিটভিত্তিক ব্লগগুলো ফলো করো, সাজেশন এ দিয়ে দিচ্ছি)
সপ্তাহে অন্তত ৩টি ফুল–মক, বাকি দিনগুলোতে মাইক্রো-টপিক ড্রিল করলে গতি ও ভুল না করার সম্ভাবনা দুটোই বাড়ে। (২০২৪–২৫–এ DU–পরীক্ষা সময়-বণ্টন ৪৫+৪৫ এর অনুযায়ী এক্সামে টাইমার সেট করবে। যদিও চর্চা অ্যাপ এ এক্সাম প্রিসেট এ ঢাবি সিলেক্ট করলে তোমার কিছু করতে হবে না, অ্যাপ ই অটোম্যাটিকালি সব সেট করে দিবে ) ।
ক ইউনিট (বিজ্ঞান): গণিতে বীজগণিত–ক্যালকুলাসের ভিত্তি, সংখ্যাতত্ত্ব–সিরিজ, জ্যামিতির কনসেপ্ট; পদার্থে মেকানিক্স, তড়িৎচৌম্বকত্ব; রসায়নে ভৌত/জৈবের মূল ধারনা; জীববিজ্ঞানে মানবদেহতত্ত্ব–জেনেটিক্স। এসবই HSC- কারিকুলামের মূল টপিক থাকে; সাম্প্রতিক সেশনে ক–ইউনিটের পরীক্ষা HSC ২০২৪–এর সিলেবাস–সমন্বিত ছিল এ ধারা সাধারণত বজায় থাকে। ( তবে HSC 26 এ ফুল সিলেবাস। তাই এবার কি হয় তা জানা যাবে নতুন নোটিস অনুযায়ী )
খ ইউনিট: বাংলা ব্যাকরণ; ইংরেজি গ্রামার–রিডিং; সাধারণ জ্ঞানে বাংলাদেশ/আন্তর্জাতিক চলতি বিষয় - বিশেষ করে সংবিধান, মুক্তিযুদ্ধ, অর্থনীতি/পরিকল্পনা –সংশ্লিষ্ট তথ্য–উপাত্ত।
গ ইউনিট: অ্যাকাউন্টিং (জার্নাল–লেজার–এডজাস্টমেন্ট), ব্যবসায় সংগঠন–ব্যবস্থাপনা, বেসিক ফিন্যান্স/মার্কেটিং কনসেপ্ট; গণিত/ইংরেজি।
চ ইউনিট: ড্রয়িং স্কিল (প্রোপরশন, শেডিং, পার্সপেকটিভ, কম্পোজিশন), আর্ট –অ্যাপ্রিসিয়েশন–জাতীয় সাধারণ জ্ঞান (MCQ ৪০)। (নম্বর বণ্টন: MCQ ৪০ + অঙ্কন ৬০)।
IBA (BBA): ইংরেজি, গণিত, অ্যানালিটিক্যাল এবিলিটি aptitude টেস্ট, পরে লিখিত ৩০ মিনিট + ভাইভা। (শব্দভাণ্ডার, ক্রিটিক্যাল রিজনিং, ডাটা–সাফিসিয়েন্সি ইত্যাদি)।
MCQ (৬০ নম্বর, ৪৫ মিনিট): প্রতি প্রশ্নে গড়ে ~৪৫ সেকেন্ড। প্রথম ২০–২৫ মিনিটে নিশ্চিত প্রশ্নে নম্বর “লক” করুন, পরের ১৫ মিনিটে মধ্যম কষ্টসাধ্য, শেষে ৫–৭ মিনিট রিভিউ।
লিখিত (৪০ নম্বর, ৪৫ মিনিট): আগে নম্বর–ওজন বেশি (যেমন ৮/১০) প্রশ্নগুলো লিখুন; পয়েন্টভিত্তিক সংক্ষিপ্ত কিন্তু টেকনিক্যাল উত্তর—ডেফিনিশন/ফর্মুলা/ডায়াগ্রাম (যদি অনুমোদিত) সংক্ষেপে যুক্ত করুন।
চারুকলায় ৩০+৬০ মিনিট—MCQ–তে সময় বাঁচিয়ে ড্রয়িং–এ সময় ঢালুন।
কোন বিষয় থেকে বেশি প্রশ্ন (ধারা/প্যাটার্ন):
প্রশ্ন–সেটগুলো HSC–কেন্দ্রিক হওয়ায় ক ইউনিটে কোর সায়েন্স–টপিকগুলোই প্রধান; খ ইউনিটে বাংলা/ইংরেজি + সাম্প্রতিক ইস্যু–ভিত্তিক সাধারণ জ্ঞান; গ ইউনিটে অ্যাকাউন্টিং/ম্যানেজমেন্ট–কোর। (বিস্তারিত বণ্টন প্রতি বছরের সার্কুলার/দিকনির্দেশনায় স্পষ্ট করা হয়—সুতরাং ২০২৬–এর চূড়ান্ত ইউনিট–ওয়াইজ নির্দেশনা অবশ্যই দেখে নেবেন)।
পাস/সিলেকশন ট্রেন্ড (ডাটা):
২০২৩–২৪ সেশনে ইউনিটভেদে পাস রেট: ক ৮.৮৯%, খ ১০.০৭%, গ ১৩.৩%, চ ১১.৭৫% (অফিশিয়াল ফল ঘোষণার সংবাদ)। ২০২৪–২৫–এ খ ইউনিটে উপস্থিতি ~১.১৫ লক্ষ, পাস ~১১.৩ হাজার (৯.৮৫%); ক–ইউনিটে ৫.৯৩% পাস—এগুলো প্রতিযোগিতার ঘনত্ব দেখায়। আসন সংখ্যার হিসেবে ২০২৪–২৫–এ মোট আসন ~৬,০১০ (ইউনিট–ওয়াইজ ব্রেকডাউন সংবাদে)। কাট–মার্ক DU সাধারণত অফিশিয়ালি প্রকাশ করে না; মেধা–তালিকা/মাইগ্রেশনের মাধ্যমে ভর্তির ফাইনালাইজেশন হয়। পরিকল্পনার জন্য রক্ষণশীলভাবে ৭০+ (জনপ্রিয় বিভাগে ৭৫+) র’ স্কোর টার্গেট রাখলে নিরাপদ- তবে এটি আনুষ্ঠানিক কাটঅফ নয়, বরং কড়া প্রতিযোগিতা ধরা ধরে টার্গেট–বেঞ্চমার্ক।
যেহেতু অফিশিয়াল কাট–মার্ক প্রকাশ হয় না, নিজের অগ্রগতি যাচাইয়ের জন্য পার্সোনাল কাট–লাইন ঠিক করুন—
সাধারণ লক্ষ্য: MCQ–তে ≥ ৪৫/৬০, লিখিতে ≥ ২৫/৪০ ⇒ পরীক্ষা–ভিত্তিক ৭০+/১০০, সঙ্গে GPA–ভিত্তিক ২০–তে মোট ৯০+/১২০ লক্ষ্য।
হাই–ডিমান্ড বিভাগ লক্ষ্য: MCQ ৪৮–৫০+, লিখিত ২৭–৩০+ ⇒ ৭৫–৮০/১০০; GPA–সহ ৯৫–১০০+/১২০।
এই বেঞ্চমার্কগুলো পাবলিক ফল/পাস–রেট–ডাটা ও আসন–প্রার্থীর অনুপাত মাথায় রেখে রক্ষণশীল টার্গেট—চূড়ান্ত নির্ধারণ হবে বছরের প্রশ্নের কঠিনতা–স্তর ও ইউনিটভেদে প্রতিযোগিতা দেখে।
ফাইনাল চেকলিস্ট (এপ্লাই করার আগে কী কী অবশ্যই দেখবে)
অফিশিয়াল সার্কুলার/নির্দেশনা: | ইউনিট–ওয়াইজ সময়, বণ্টন, নেগেটিভ মার্কিং আছে কি–না। |
|---|---|
পরীক্ষাকেন্দ্র: | ঢাকাসহ ৮ বিভাগীয় শহরের কেন্দ্রগুলো (চারুকলা ব্যতীত)। |
ফরম্যাট টার্গেট: | MCQ ৬০ (৪৫ মিনিট) + লিখিত ৪০ (৪৫ মিনিট) + GPA–২০ = ১২০। |
প্রতিযোগিতা ধারণা: | সাম্প্রতিক পাস–রেট/আবেদন–আসন অনুপাত দেখে নিজের টার্গেট ঠিক করুন। |
DU–ভর্তি “দৌড়ে” জিততে হলে স্মার্ট প্ল্যান + ধারাবাহিক অনুশীলন + সময়ের সদ্ব্যবহার এই তিনটির সমন্বয় জরুরি। কাঠামো/সময়/নম্বর–বণ্টন অফিশিয়াল নোটিস–যাচাই করে প্রস্তুতি নাও ; প্রতিটি চর্চা মক–এর পরে নিজের ভুলের লিস্ট আপডেট করো ; আর মানসিক–শৃঙ্খলা বজায় রাখো । এটাই তোমাকে “স্বপ্নের ক্যাম্পাস” থেকে “নিজের ক্যাম্পাস”–এ পৌঁছে দেবে।